প্রকাশিত: ২০/০৫/২০২১ ৮:৪৫ এএম

আগামী ২০ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত সৌদি আরবগামী সব ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার (১৯ মে) দিবাগত রাত ১২টার পর এক বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এই সিদ্ধান্ত জানায় বিমান।

উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার ঢাকা পোস্টকে জানান, রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটির সৌদি কর্তৃপক্ষের হোটেল কোয়ারেনটাইনসহ বিভিন্ন শর্তারোপের কারণে পাঁচদিনের সৌদি আরবগামী সব ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২০-২৪ ভ্রমণের জন্য বুকিংকৃত যাত্রীদের তাদের হোটেল বুকিং ও পরবর্তী যাত্রার সময় নির্ধারণের জন্য নিকটবর্তী যেকোনো বিমান অফিসে যোগাযোগের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে সৌদির জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মার রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান।

Google News
গুগল নিউজ-এ ঢাকা পোস্টের সর্বশেষ খবর পেতে ফলো করুন।
এই সময়ে ভ্রমণের জন্য বুকিং করা যাত্রীদের তাদের হোটেল বুকিং ও পরবর্তী যাত্রার সময় নির্ধারণের জন্য নিকটবর্তী যেকোনো বিমান অফিসে যোগাযোগের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন বিমানের এই কর্মকর্তা।

সৌদি সরকারের বিধিনিষেধ

সম্প্রতি এক আদেশে, ২০ মে থেকে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী প্রবাসী শ্রমিকদের প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটির সরকার। যারা করোনাভাইরাসের টিকা নেননি, সৌদি প্রবেশ করলে তাদের সাতদিন হোটেলে বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে হোটেলের খরচ নিজেকেই বহন করতে হবে।

সৌদি জানায়, সৌদি আরবে যাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পিসিআর পদ্ধতিতে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট আসলেই কেবল ঢাকা থেকে যাত্রীরা ফ্লাইটে উঠতে পারবেন। সৌদিতে পৌঁছানোর পর আরও দুইবার করোনা টেস্ট করতে হবে। প্রথমবার টেস্ট করতে হবে পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। ৬ষ্ঠ দিনে আবারও করোনা টেস্ট করা হবে। টেস্টের খরচ যাত্রীকেই বহন করতে হবে। টেস্টে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে হোটেল কোয়ারেন্টাইনে থেকে ৭ম দিনে নিজের বাসায় যাওয়া যাবে।

এছাড়াও যারা পূর্ণ ডোজ টিকা নিয়েছেন তাদের টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে ফাইজার-বায়োএনটেকের দুই ডোজ, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই ডোজ, মডার্নার দুই ডোজ এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকার এক ডোজ যারা নিয়েছেন তারা হোটেলে বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকার বদলে বাসায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার সুবিধা পাবেন।

প্রথমবারের মতো প্রবাসীকে সৌদি যাওয়ার আগে হেলথ ইনস্যুরেন্স করাতে হবে। করোনা হলে ইনস্যুরেন্স প্রতিষ্ঠান তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করার বিষয়ে এতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকতে হবে। ভ্রমণ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তি হিসেবে দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার কোথাও বলেছে সৌদি সরকার।

এদিকে কেউ যদি করোনাভাইরাস ছড়ায় তাকে ৫ বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ ৫ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা করবে দেশটির সরকার। যদি সেই ব্যক্তি প্রবাসী হয়, তবে তাকে শাস্তি দেওয়া পর সৌদি থেকে বিতাড়িত করা হবে এবং সে আর কোনো দিন সৌদি আরবে আসতে পারবে না।

পাঠকের মতামত

‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বারোটা বাজিয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে শুধু দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কারণেই আগের সরকার প্রত্যাবাসন উদ্যোগকে ব্যর্থ করে ...

সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশ এখন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে ...

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সুইডিশ সহায়তা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ সহায়তা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ...

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনবিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা

একীভূত হওয়া পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের মালিকানা পুরোনো মালিকদের কাছে ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে ...
Single Page Footer