প্রকাশিত: ০৫/০৭/২০১৬ ১২:৪৫ পিএম , আপডেট: ০৫/০৭/২০১৬ ১২:৫৩ পিএম

ডেস্ক রিপোর্ট :

এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি রাশেদ ও নবী গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঠান্ডাছড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে রাঙ্গুনিয়া থানায় নিয়ে এসেছে থানা পুলিশ।

রাশেদ ও নবী দুজনের বাড়িই রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নে। এদের মধ্যে নবী সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নিয়ে মিতুকে ছুরিকাঘাত করেন বলে আদালতে দেয়া দুই আসামির জবানবন্দিতে উঠে এসেছে। আর রাশেদ কিলিং মিশিনের সময় ঘটনাস্থলে থেকে খুনিদের সহযোগিতা করেছিল।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বাংলামেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিতু হত্যার মামলার মোস্ট ওয়ান্টেড দুই আসামি রাশেদ ও নবী রাঙ্গুনিয়ার ঠান্ডাছড়ি এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে গেলে আসামিরা আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আমরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ি। একপর্যায়ে রাশেদ ও নবী মারা যান।’

যদিও তাদের বিরুদ্ধে গত ২৯ জুন থেকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিএমপি।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি’র মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত ও গুলিতে খুন হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনার পরদিন পাঁচলাইশ থানায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে গোয়েন্দা পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডি, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিআই)। তবে মামলার মূল তদন্তে আছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

এর আগে ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন গোয়েন্দা পুলিশ সরাসরি কিলিং মিশনে অংশ নেয়া শাহজাহান, ওয়াসিম, আনোয়ার, অস্ত্র সরবরাহকারী এহতেশামুল হক ভোলা, তার সহযোগি মনিরকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ ছাড়াও মূল হোতা মুছার ভাই সাইদুল শিকদার সাকুকেও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সরবরাহের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ওয়াসিম ও আনোয়ার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বিশদ বর্ণনা দিয়েছেন।

যদিও নাটকীয়ভাবে নিজের স্ত্রীকে হত্যার গুজব ছড়িয়ে এসপি বাবুল আক্তারকে গত ২৫ জুন মধ্যরাতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে টানা ১৫ ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় ডিবি কার্যালয়ে।

পরে তাকে বাসায় যেতে দিলেও তার বিরুদ্ধে একটি মহল কখনো স্ত্রী মিতুর ‘পরকীয়ার গুজব’ আবার কখনো মুছার স্ত্রী পান্নার সঙ্গে বাবুল আক্তারের ‘পরকীয়ার গুজব’ ছড়িয়ে দেয়।

পাঠকের মতামত

 

ছাত্রদলের দুঃসময়ের কাণ্ডারি মামুনকে মূল্যায়নের দাবি

উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে ত্যাগ, তিতিক্ষা ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক পরিশ্রমের দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি হিসেবে আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে ...