উখিয়া নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮/০১/২০২৩ ১০:১১ এএম

কক্সবাজারে উখিয়া বালুখালীর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অবিস্ফোরিত গ্রেনেডটি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনীর উচ্চতর বোম ডিসপোজাল বিশেষজ্ঞ দল।

শনিবার দুপুরে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়। তবে, আদালতের নির্দেশ না পাওয়ায় গ্রেনেড সাদৃশ্য বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করা হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, গ্রেনেডটি দেখতে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ হামলায় ব্যবহৃত পাকিস্তানে তৈরি ‘আর্জেস গ্রেনেড’ মত হলেও বিশেষজ্ঞ দল বলছে, গ্রেনেডটি মিয়ানমারে তৈরি। তবে, গ্রেনেডটি বিস্ফোরণ হলে ব্যাপক প্রাণহানির হতো বলে ধারণা করছেন তারা।

এর আগে শুক্রবার সকালে উখিয়া বালুখালীর ক্যাম্প-৮ ইস্ট এর ব্লক বি/৩৯ এ জনৈক মোহাম্মদ নবীর বাসায় গ্রেনেডের সন্ধান পায় আইন
শৃঙ্খলা বাহিনী। ওই সময় দুর্বৃত্তের ছোঁড়া গুলিতে ঘরের মালিক রোহিঙ্গা মোহাম্মদ নবী আহত হন।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দীন ভূঁয়া বলেন, শনিবার সকালে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ বোম ডিসপোজাল দল ক্যাম্পে পৌঁছার পর গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। তবে, আদালতের নির্দেশ পেলে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করা হবে বলে জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দলের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, গ্রেনেডটি দেখতে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ভয়াবাহ হামলায় ব্যবহৃত পাকিস্তানে তৈরি ‘আর্জেস গ্রেনেড’ মত হলেও বিশেষজ্ঞ দল বলছে, গ্রেনেডটি মিয়ানমারে তৈরি। তবে,গ্রেনেডটি বিস্ফোরণ হলে ব্যাপক প্রাণহানির হতো।

তিনি আরও বলেন, গ্রেনেডটি আসলে আহত নবীর ওপরে ছুটে মারা হয়েছে নাকি তিনি নিজে এটি এনে বাড়িতে রেখেছেন সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। হামলাকারীরা আরসার সদস্য আর নবী হোসেন গ্রুপের সক্রিয় সদস্য বলে জানান তিনি।

সূত্র জানা যায়, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে কথিত আরসা সদস্যদের ১০-১২ জনের একটি দল রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮ ইস্ট এর বি/৩৯ এলাকায় প্রবেশ করে ৫-৭ রাউণ্ড গুলি করে। এতে রোহিঙ্গা মোহম্মদ নবী গুলিবিদ্ধ হন। খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসপন।

আহত নবীকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার ঘরে গ্রেনেড সাদৃশ বস্তুটি পাওয়া যায়। পরে এলাকাটি ঘিরে রেখে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়। সুত্র: যুগান্তর

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর বিদ্রোহীদের দখলে

মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা দেশটির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের দখল নিয়েছে। মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তা’আং ...

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতির দাবি

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতিসহ বিভিন্ন দাবিতে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমকে স্মারকলিপি দিয়েছেন ...