প্রকাশিত: ২৪/০১/২০১৭ ৯:১৯ পিএম
ঢাকা: সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মধ্যে বাকযুদ্ধ।
এর ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দু’দলের নেতাকর্মীরা তাদের  বক্তব্যে উজ্জীবিত হচ্ছে। এখন জনমনে প্রশ্ন উঠছে তাদের এই বাকযুদ্ধ কী শুধুই একে অপরের বিরুদ্ধে কাদাছুড়াছড়ি, না দেশে চলমান সঙ্কট সমাধানের কোনো পথ বেরিয়ে আসবে?বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম সোমবার এক আলোচনা সভায় দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাদের নামে মিথ্যাচার করছেন।

সার্চ কমিটিতে কেএম হাসানকে নাম দেয়নি বিএনপি উল্লেখ করে তিনি বলনে, কেএম হাসানের নাম প্রস্তাবের বিষয়টি কথা ডাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহবান জানিয়ে দলটির মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রপতি কী তাহলে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে আলোচনা করে সার্চ কমিটি গঠন করবেন? তাই যদি হয়। তাহলে এই ধরনের সার্চ কমিটি এ দেশের মানুষ কখনোই মেনে নেবে না।

অপর দিকে, একই দিনে এক স্মরণ সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মির্জা ফখরুলের বক্তব্যকে স্ববিরোধী বলে মন্তব্য করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির গোপন কথা তাদের নেতাদের কাছ থেকেই পাওয়া যায়। মামলার ভয়ে তারা নিজেরাই গোয়েন্দাদের তথ্য দেন।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমার বিরুদ্ধে বঙ্গভবনের গোপনীয়তা ভঙ্গের যে অভিযোগ করেছেন, সেটা স্ববিরোধী। তিনি নিজেই বলেছেন, আমরা কার নাম দিয়েছি, সেটা আওয়ামী লীগ নেতারা জানলো কী করে? আবার বলেছেন, আমরা কোনো নামই প্রস্তাব করিনি। এটা তার স্ববিরোধী বক্তব্য।

বিএনপি রাষ্ট্রপতির কাছে কার নাম প্রস্তাব করেছে, সেটা জানার জন্য বঙ্গভবনের সহযোগিতার দরকার হয় না। বিএনপির নেতারাই যথেষ্ট বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে বিএনপির দেয়া প্রস্তাবের গোপনীয়তা তারাই ভঙ্গ করেছেন বলেও দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

তাদের এই পরস্পরবিরোধী  বক্তব্যে ক্রমেই উত্তাপ রাজনীতির মাঠে। এরই মধ্যে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা সুস্পষ্টভাবেই বলেছেন, রাষ্ট্রপতি এই সঙ্কট নিরসনে ব্যর্থ হরে তারা রাজপথেই সমাধান খুঁবেঁন। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, পারলে ঢাকা শহরে একটা মিছিল করে দেখান।

তাদের এসব বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবেই ইঙ্গিত মিলছে ভবিষ্যতে দেশের রাজনীতির মাঠ কেমন হতে পারে। বাকযুদ্ধ থেকে যেকোনো সময় রাজনীতির মাঠ আবারো সহিংস হয়ে উঠতে পারে।

পাঠকের মতামত

কঠোর নির্দেশনার পরও মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরা ছাড়ছে না ভোটের মাঠ

সরকারদলীয় এমপি-মন্ত্রীদের সন্তান, পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অংশ না নিতে কঠোর নির্দেশনা ...

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষীদের নিতে জাহাজ আসবে এ সপ্তাহেই

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসা দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যদের ফের ...