ad

কক্সবাজার নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিঙ্গাসাবাদ করেছে দুদক

ডেস্ক রিপোর্ট::
রোহিঙ্গাদের হাতে স্মার্ট কার্ড এবং রোহিঙ্গাদের ভোটার করার অভিযোগ এবং নির্বাচন অফিসের বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগে কক্সবাজার নির্বাচন অফিসের জেলা এবং উপজেলা কর্মকর্তা কর্মচারীদের জিঙ্গাসাবাদ করেছে দূর্নীতি দমন কমিশন দুদক। ৮ অক্টোবর কক্সবাজার নির্বাচন অফিস কার্যালয়ে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। এতে দুদকের পক্ষ থেকে আসা টিমের নেতৃত্ব দেন ঢাকা দুদক কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম।
কক্সবাজার নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চট্টগ্রামে আটক হওয়া নির্বাচন অফিসের কর্মচারী থেকে উদ্ধার করা ল্যাপটপ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশী নাগরিকত্ব তালিকায় রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এতে কক্সবাজারের প্রায় ৬০০ রোহিঙ্গা বিভিন্ন ভাবে ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে বলে জানা গেছে সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মামলাও করা হয়। তবে এখানে বেশির ভাগ রোহিঙ্গাদের বিপুল টাকার বিনিময়ে অনিয়ম দূর্নীতি করে ভোটার করে তাদের হাতে এআইডি সহ স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয় বলে প্রতিয়মান হয়। যেখানে কক্সবাজার জেলা এবং বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের বেশ কয়েক জন কর্মকর্তা কর্মচারীর নাম উঠে আসে। পরে সে বিষয়ে তদন্তে নামে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারি অংশ হিসাবে দুদকের জিঙ্গাসাবাদের মুখোমুখি হন কক্সবাজার নির্বাচন
কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদ আলম,রামু উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান আর একদিন আগে(সোমবার) জিঙ্গাসাবাদ করা হয় সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মাকে। এছাড়া দুদকের প্রশ্নের মুখোমুখি হন জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোজাফ্ফর আহামদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর নাঈম উদ্দিন, ডাটা এন্ট্রিঅপারেটর রামু হিরু এবং টেকনাফের শহিদুল ইসলামকে।
এ ব্যপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বলেন,দুদকের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ভোটার সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত হয়েছে। তবে এখনো সে বিষয়ে কোন কিছু বলা যাচ্ছে না।
আর তদন্ত টিমের প্রধান ঢাকাস্থ দুদুক কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন,তদন্ত চলছে এই মুহুর্তে কোন কিছুই বলতে পারছিনা। সব তথ্য ঢাকা প্রধান কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।
এদিকে কক্সবাজারের সচেতন মহলের দাবী ১৯৮০ সালের পর থেকে বিভিন্ন ভাবে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে আসতে থাকে। পরে তারা নানান ভাবে কক্সবাজার সহ সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। আর বর্তমানে শুধু কক্সবাজারেই অন্তত ১ লাখ রোহিঙ্গা স্থানীয়দের সাথে মিশে গেছে। পরে তারা টাকার বিনিময়ে অথবা বিভিন্ন কৌশলে ভোটার হয়ে গেছে আর এসব কাজে বেশ কিছু জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতা এবং নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা জড়িত। তাই আগে আসা সব রোহিঙ্গাদের সঠিক তালিকা করে তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করার দাবী জানান কক্সবাজারের সুশীল সমাজ। সুত্র :দৈনিক কক্সবাজার

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন