ছড়িয়ে পড়া রোহিঙ্গারা এখন প্রতিষ্ঠিত,অনেকে নেতাও বনে গেছেন

ডেস্ক রিপোর্ট ::
কক্সবাজারে ছড়িয়ে পড়া রোহিঙ্গারা অনেকে এখন প্রতিষ্ঠিত।কক্সবাজারে অনেকে এখন ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাও বনে গেছেন।এখন কক্সবাজার জেলাজুড়ে তাদের অবাধ বিচরণ।তারা ইয়াবা ও মানব পাচারের হাত ধরে কোটিপতি প্রায়। সেই টাকায় নামে বেনামে কিনেছে জায়গা, সেখানে গড়ে তুলেছে বহুতল ভবন। এখানকার কোনোরকম নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা করছে না কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ায় আশ্রিত রোহিঙ্গারা। প্রতিনিয়ত ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে দেশের আনাচে-কানাচে। উখিয়া-টেকনাফের ত্রিশটি ক্যাম্পে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ঢুকে পড়া এসব রোহিঙ্গা এখন প্রতিদিন ক্যাম্প ছেড়ে পালাচ্ছেন। কক্সবাজার সদরের বাস টার্মিনাল,পানিরছড়া,পিএমখালী,ঝিলংজা ও রামুর মিঠাছড়ি,গর্জনিয়া সহ বেশ কিছু যায়গায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
এই সকল স্থানে চিহ্নিত রোহিঙ্গারা যায়গা কিনে বসতবাড়ী তৈরী করে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তাদের হাতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ঠিকানায় রয়েছে জাতীয় পরিচয়।ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে অনেকে ভিত্তবান ।
যাদের আত্বীয় স্বজন ছিল মধ্যপ্রাচ্য সহ নানা দেশে। কিছু অসাধু বাঙালী সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে রোহিঙ্গাদের হাতে ডাবল দামে বিক্রী করে দিয়েছে অনেক যায়গা জমি। অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী আশ্রয় দিয়েছে রোহিঙ্গা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের। সেই সূত্রে রোহিঙ্গারা এখন জমি ও বহুতল ভবনের মালিক। সমাজে তারা এখন প্রতিষ্ঠিত প্রায়।নিজেদের স্থানীয় বলেই দাবী করেন অনেকে।
এই সকল রোহিঙ্গাদের চালচলন মোটেও বদলায়নি।তাদের আগ্রাসী মনোভাব সমাজেও ইতিমধ্যে প্রভাব পড়েছে।তারা স্থানীয় সেজে ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের নানা ভাবে সহযোগিতা করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে ও হুন্ডি ব্যবসার সাথে তারা জড়িত বলে নাম না প্রকাশের শর্তে সমুদ্রকন্ঠকে জানান একজন প্রত্যক্ষদর্শী। তাছাড়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসনের কড়া নজরদ্বারী না থাকায় ভাড়া বাসায় দেখা যাচ্ছে অনেক রোহিঙ্গা পরিবারকে।সদরের বাস টার্মিনাল হতে খরুলিয়া পযর্ন্ত ভাড়া বাসায় কম হলেও ২০০ রোহিঙ্গা পরিবার পাওয়া যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
রামুর দক্ষিন মিঠাছড়ি এলাকায় চিহ্নিত একজন রোহিঙ্গা তাঁতীলীগের সভাপতি বনে গেছেন। তাকে এলাকায় রেহিঙ্গা রশিদ উল্লাহ নামেই চিনে। তার বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগও রয়েছে।রোহিঙ্গা রশিদ উল্লাহ’কে নিয়ে নানা জল্পনার যেন শেষে নেই এলাকাবসীর।
সদরের পানিরছড়া বাজারে একজন রোহিঙ্গা ডাক্তার সেজে প্রতারনা করছে স্থানীয়দের সাথে। বাংলায় লিখতে ও পড়তে না পারা কথিত ডাক্তার আবদুল্লাহ কিভাবে ডাক্তারী করছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন। এছাড়াও নাম না জানা অনেক রোহিঙ্গা বিভিন্ন হোটেল মোটেল এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও মালিক। সুত্র: সমুদ্রকন্ঠ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন