প্রকাশিত: ১৩/১১/২০১৬ ৯:১৩ পিএম

সরওয়ার আলম শাহীন, উখিয়া নিউজ ডটকম:;

মিয়ানমারের সাম্প্রতিক অস্থিরতাকে পুঁিজ করে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বেড়েছে।স্থানীয় বিজিবি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় কঠোরতা অবলম্বণ করলেও প্রায় প্রতিদিন মিয়ানমার সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। বিজিবি কিছু কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করে মিয়ানমারে পুশব্যক করলেও পুশব্যাক হওয়া রোহিঙ্গারা সীমান্তে নিয়োজিত দালাল বেশী পাচারকারী চত্রেুর মাধ্যমে পুনরায় এদেশে চলে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে। উখিয়া টেকনাফ সীমান্তের প্রায় ১৫টি পয়েন্টে ৫০ জন দালাল বেশী আদম ব্যবসায়ী সক্রিয় রয়েছে।এলাকার প্রতিটি ভাড়াবাসায়, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে, সমুদ্র সৈকতের বস্তিতে ,ঝাউবাগানে পুরাতন এবং নতুন মিয়ানমার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আদম পাচারকারী সদস্যরা মিয়ানমারে পাচার করছে এদেশের চাল ,তৈল ,চিনি, গুড়, ঔষধ, ডিম , ময়দাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল।রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিয়ে ব্যবসা করতে উখিয়া টেকনাফ উপজেলার ১৫টি সীমান্ত পয়েন্টে শতাধিক আদম পাচারকারী চত্রু রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে শত শত রোহিঙ্গা অনুপ্রেেবশ করাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সূত্রে জানা গেছে,মিয়ানমারের সাম্প্রতিক অস্তিরতাকে পুঁজি করে উখিয়া টেকনাফের আদম পাচারকারী দালালরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচেছ।বিদেশে অনেক মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে,মিয়ানমার থেকে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের আনার জন্য এসব দালালরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বিকাশ ও হুন্ডির মাধ্যমে জনপ্রতি ২০/৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। অবৈধ পথে আসা এসব রোহিঙ্গাদের বেশীরভাগ সাগরপথে মালেয়শিয়াও পাচার করার অভিযোগ রয়েছে দালালদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়- এসব দালালরা উখিয়া উপজেলার ঘুমধুম, তুমব্রু, পালংখালী, রহমতের বিল, দরগাবিল, আমতলী, বালুখালী টেকনাফের নয়াপাড়া-গৌজিবিল ঘাট,নয়াপাড়া-মাঙ্গালা ঘাট,টেকনাফ পৌরসভা এলাকার নাইট্যংপাড়া ঘাট, জালিয়াপাড়া ঘাট, নাজির পাড়া ঘাট, শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়া ঘাট, করিডোর ঘাট ও মিস্ত্রিপাড়া ঘাট, ঘোলাপাড়া ঘাট এলাকায় বিভিন্ন কৌশলে আদম পাচার অব্যাহত রেখেছে।পাচারের সুবিধার্থে হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে একজন এক এক জায়গায় অবস্থান করে বিজিবি সহ প্রসাশনের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচেছ।এসব দালালদের উখিয়া উপজেলার সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও পাচার নিয়ন্ত্রন করছে উখিয়া কুতুপালং আন রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা নুরুল হক, আইযুব, আবু সিদ্দিক ও রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা আইযুব মাঝি।তাছাড়া টেকনাফের নাজিরপাড়ার আবদুর রহমান,হাসু, ছালাম।বরইতলী ঘাট নিয়ন্ত্রন করে কবির আহাম্মদ,ছিদ্দিক, নুর আলম,ইসমাইল,জামাল, নেজাম, আলী আকবর,আলমাজ।অভিযোগ উঠেছে,এসব আদম পাচাকারীরা সংশিষ্টদের ম্যানেজ করে আদম পাচার বাণিজ্য ও মালামাল পাচার করে যাচেছ।তারা মিয়ানমার থেকে মাদকদ্রব্য ও নিয়ে আসে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে।রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, পুশব্যাক ও দালালদের তৎপরতার ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি পরিচালক ইমরান উল্লাহ সরকার বলেন,সীমান্তে দালালরা সত্রিুয় থাকতে পারে।কিন্তু সঠিক তথ্য না পাওয়া কারনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া যাচ্ছেনা।সীমান্ত এলকার বিজিবি সদস্যরা অনুপ্রবেশকৃত রোহিঙ্গা ও দালালদের ব্যাপারে তৎপর রয়েছে।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইউএনএইচসিআরকে সহায়তা করবে ফ্রান্স

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ...

জসিম উদ্দিন টিপু আজকের দেশবিদেশ পত্রিকার বর্ষ সেরা প্রতিনিধি

টেকনাফের সাংবাদিক জসিম উদ্দিন টিপু আজকের দেশবিদেশ পত্রিকার বর্ষ সেরা প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ ...
Single Page Footer