প্রকাশিত: ০৮/০২/২০২০ ১২:২৩ পিএম , আপডেট: ০৮/০২/২০২০ ৫:০৪ পিএম

একের পর এক অপরাধ করে চলছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। টেকনাফ এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে খুন, অপহরণ এবং মাদক চোরাচালান এখন নিত্যদিনের ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দিচ্ছে কতিপয় এনজিও।
রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সোমবার টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরে হামলা চালায় সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এতে নারী-শিশুসহ গুলিবিদ্ধ হয় ১৪ জন। সন্ধ্যার পরপরই কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফের শরণার্থী শিবিরগুলোতে সক্রিয় হয়ে ওঠে সন্ত্রাসীরা। ক্যাম্পগুলো চলে যায় তাদের নিয়ন্ত্রণে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতি রাতেই চলে- হামলা, খুনসহ নানা অপরাধ। মাদক চোরাচালান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সংঘাতে জড়াচ্ছে তারা।
এক রোহিঙ্গা বলেন, সন্ত্রাসীরা রাতেই ঘোরাফেরা করে। অনেককে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়াতে বাধ্য করে। কেউ রাজি না হলে মেরে ফেলে। তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়ার চেষ্টা করলেও মেরে ফেলে অথবা টাকা পয়সা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
রোহিঙ্গাদের আগে থেকেই নিয়ন্ত্রণ না রাখার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন কক্সবাজার সংগঠনের নেতা মুফিজুর রহমান।
বিশাল এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে- বলছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাসুদ হোসেন।
গেল এক বছরে গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী, মাদক ও মানব পাচারকারীসহ ১৯৫ রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পাঠকের মতামত

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস-প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে আহত ৫

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে যাত্রীবাহী মারসা বাসের সঙ্গে একটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ পাঁচজন গুরুতর ...

সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি চলছে। বৃহস্পতিবার (২২ ...

কক্সবাজারে পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে ‘হত্যা’, বিচার চেয়ে থানায় মালিক

নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা পোষা বিড়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ...

‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মর্যাদার সঙ্গে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ...