প্রকাশিত: ০১/১১/২০২০ ৮:৫৪ এএম

রফিক উদ্দিন বাবুল ::
উখিয়া-টেকনাফে কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গণবদলীর সুযোগে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক কারবারি সিন্ডিকেট ও অপরাধীচক্র।

সাগর ও সড়ক পথে প্রতিদিন দক্ষিণাঞ্চলে পাচার হচ্ছে ইয়াবার চালান। সড়ক ও সাগর পথে দায়িত্বরত পুলিশ, কোস্টগার্ড, বিজিবি, র‌্যাব ও ডিবি পুলিশের হাতে কিছু কিছু চালান ধরা পড়লেও বড় বড় ইয়াবার চালান পাচার হয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উখিয়া টেকনাফে সংঘটিত অপ্রীতিকর ঘটনার জের ধরে পুলিশের প্রতি মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করে ‘মানুষের জন্য পুলিশ, পুলিশের জন্য মানুষ’ এ অপ্রিয় সত্যটি সাধারণ মানুষ ও পুলিশের মাঝে তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে স্থানীয় সাংবাদিকদের পুলিশকে সহযোগিতা করার পরামর্শ দেন তিনি।

ডিআইজি আরো বলেন, এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশি ভূমিকার কোন বিকল্প নাই। তাদের সঙ্গে গ্রামবাসী, সুশীল সমাজের লোকজন যদি পুলিশকে সহযোগিতা করে তাহলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা থাকার কথা নয়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এলাকায় কারা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত তা সাংবাদিকরাই জানে। তারা যদি তালিকা করে পুলিশকে দেয়, পুলিশ সে অনুযায়ী কাজ করতে পারবে। যেহেতু বর্তমানে এখানে পুলিশ সম্পূর্ণ নতুন। তাই তাদেরকে সহযোগিতা করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

উখিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় জনপদে প্রতিষ্ঠিত মাদক ও চোরাকারবারি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এড. এটিএম রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল উদ্দিন সুজন বলেন, মাদক, চোরাচালান, চুরি, ডাকাতি ও অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেও কোন কাজ হয়নি। সে সময়ে দায়িত্বরত কিছু পুলিশ সদস্যের কারণে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বানের পানির মতো এসেছে মিয়ানমারের তৈরি ইয়াবা। পাশাপাশি রকমারি ব্রান্ডের মাদকদ্রব্য। মিয়ানমার থেকে আসা এসব মাদক দ্রব্য সেবন করে পিতা-পুত্রের মধ্যে সংঘাত, নারীর প্রতি সহিংসতা ও লোকালয়ে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও প্রতিরোধে কেউ এগিয়ে আসেনি।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সনজুর মোরশেদ জানান, তারা এখনো অপরাধ প্রবণতা দমনে সক্রিয় হতে পারেনি। যেহেতু পথঘাট অচেনা, যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের শনাক্ত করা, সোর্স নিয়োগ প্রভৃতি বিষয়ে এখনো সঠিক পথে এগোতে পারিনি বলে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পুলিশ অপরাধ দমনে ও ইয়াবা প্রতিরোধে সচেষ্ট আছে।

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...
Single Page Footer