প্রকাশিত: ১২/০৮/২০১৮ ৭:৩৬ এএম , আপডেট: ১৬/০৮/২০১৮ ১১:৩১ পিএম

শামীম ইকবালচৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি ::

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাক্ ঢালার ৬নং ওয়ার্ডের লম্বাবিল এলাকার আব্দু সালামের পুত্র কামাল উদ্দীন(২৫) কতৃক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (১১ আগষ্ট) সকাল সারে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানায়,দীর্ঘদিন যাবৎ জমি-জমা নিয়ে বিরোধ ছিল একি এলাকার মনিরুল ইসলামের পুত্র নুর মোহাম্মদ (৪২) এর সাথে। চলতি মৌসুমে দখলীয় জমি চাষের জের ধরে আব্দু ছালাম ওরফে বৈদ্য ছালামগং নুর মোহাম্মদের বসত ভিটায় লাঠিসুটা নিয়ে হামলা করতে গিয়ে বাড়ীর ভিতর নুর মোহাম্মদকে না পেয়ে দেয়ালে টাঙ্গানো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বাইন্ডিং করা ছবি নজরে পরলে বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে গালি-গালাজ করে দেয়াল থেকে নামিয়ে লাথি মেরে প্রতিকৃতিতে আঘাত ও ভাঙচুর শুরু করে। এলাকায় ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে পরে পুলিশ এসে এলাকার লোকজনের সহযোগীতায় এক জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে পুলিশের খবর পেয়ে ৪/৫জন ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়।

৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি মোজ্জাফর আহাম্মদ জানান, বৈদ্য আব্দু ছালাম ও তার পরিবারের সদস্যরা মূলত বিএনপির ছত্রছায়ায় এলাকায় অনেক অপকর্মে জড়িত রয়েছে। বৈদ্য আব্দু ছালামের ছেলেদের দাপটের এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ। সে একজন ভূইঁ ফুড়ঁ এবং মামলাবাজ। সে তার ছেলেদের পেশীশক্তি দেখিয়ে লাঠিসুঠা নিয়ে নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর টাঙ্গানো ছবিটিকে লাথি এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে ছবিটি ছিঁড়ে ফেলে। এই নেক্কারজনক ঘটানাটি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তি দেয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি।

সদর ইউপি চেয়ারম্যান তসলিম জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছবি ভাংচুরের ঘটনাটি শুনে আমি ঘটনা স্থলে পৌঁছি। এলাকার লোকজনের সথে কথা বলে জানতে পারলাম বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে যে গালি-গালাজ করেছে তা সত্যিই চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এই নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদেরকেও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো, আলমগীর জানান, অভিযোগকারীর অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের তদন্তও শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। ৪/৫ জনের মতো জড়িত ব্যক্তিদের নামও পাওয়া গেছে তবে মামলার সুবিধাত্বে প্রকাশ করতে পারছি না। মামলার প্রক্রিয়াও চলছে। তদন্ত শেষে আইন আনুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত

১২ কারাগারে জায়গা নেই, ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ বন্দিকক্সবাজার কারাগারে ঠাঁই নেই, ৮৩০ আসনের বিপরীতে বন্দি ২,৮৮৫

চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণের বেশি বন্দি থাকায় চরম চাপের মধ্যে রয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। ...

কুরআন হিফজে সাফল্য: টেকনাফে ৩ শিক্ষার্থী পেল সম্মাননা

কক্সবাজারের টেকনাফে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ‘তানযিমুল আফনান টেকনাফ’-এর উদ্যোগে হিফজ সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সমাবর্তন ...

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফারোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী প্রস্তাবনা : শাহজাহান চৌধুরী

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপুল উপস্থিতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে জনজীবনে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ...

উখিয়ায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারসীমান্তে পাচার ঠেকাতে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ

কক্সবাজার সীমান্তে সার, সিমেন্ট, ভোজ্যতেলসহ নির্মাণসামগ্রী পাচার রোধে কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ...