

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার ১৭ বছরের এক কিশোরী ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা বাগদার হরিহরপুরে আসে। শরিফুল মল্লিক নামে এক যুবক তাকে কাজ জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন বলে জানান ওই কিশোরী।
বাগদা পুলিশ বলছে, শরিফুল মল্লিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবৈধভাবে ভারতে আসে ওই কিশোরী। সেখানে যাওয়ার পর গেল বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) শরিফুল মল্লিক (৩৮) ও তার সঙ্গী মহসিন বিশ্বাস (২৮) কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। গ্রামের বাসিন্দারা কিশোরীকে ধর্ষণের এই খবর থানায় পৌঁছে দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের এবং দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে বাগদায় ওই কিশোরীকে নিয়ে আসেন শরিফুল ও মহসিন। ওই দুই যুবক বাংলাদেশ থেকে অবৈধপথে লোকজনকে পারাপারে সহায়তা করেন। পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ কাজ করে আসছিলেন তারা।
মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবীরা বলছেন, এই দুই যুবক দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত। তারা এপার এবং ওপারের লোকজনকে যাতায়াতে সহায়তা করতেন। কাজ দেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশি কিশোরীকেও পশ্চিমবঙ্গে আনেন তারা।
মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সমীর দাস বলেন, ওই কিশোরী প্রতিবেশীদের কথামতো থানায় গিয়ে দুই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। শুনানি শেষে আদালত দুই অভিযুক্তকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন

পাঠকের মতামত