প্রকাশিত: ২১/০২/২০১৭ ১০:৪৯ পিএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইনানী ও সুগন্ধা পয়েন্টে সোমবার অভিযান চালিয়ে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সৈকতের নাজিরারটেক থেকে উচ্ছেদ করা হয় ৫৭টি অবৈধ স্থাপনা।

জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, সৈকতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নেমেছেন। সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

একই সময় পৃথক অভিযানে শহরের সুগন্ধা পয়েন্টের প্রবেশমুখের রাস্তার উভয় পাশে গড়ে ওঠা ৬৫টি অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়। সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পঙ্কজ বড়ুয়া।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবদুস সোবহান,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

আবদুস সোবহান বলেন, শহরের কলাতলী মোড়, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট দিয়ে পর্যটকেরা সৈকতে নামেন। কিন্তু ওই তিনটি পয়েন্টে সড়কের উভয় পাশ দখল করে তৈরি করা হয়েছে অবৈধ দোকানপাট। এতে পর্যটকদের হাঁটার জায়গা সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে।

অপরদিকে উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতের শফিরবিল এলাকা থেকে রেজুখাল সেতু পর্যন্ত ৭৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় অন্যান্য অবৈধ স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল কায়েস। তিনি বলেন, ইনানী থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত সৈকতে হাজারো অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। আগামী এক মাসের মধ্যে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

পাঠকের মতামত

টেকনাফে ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে প্রতিবেদন করায় , সাংবাদিক টিপুর বিরুদ্ধে মামলা

টেকনাফের ইউনিয়ন বিভাজন নিয়ে গত ১৭জুলাই থেকে প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ধারাবাহিক ...

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...
Single Page Footer