গত ২ অক্টোবর দৈনিক হিমছড়ি সহ বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত মেরিন ড্রাইভ সড়কে ৩৯ হাজার ৬শ পিস ইয়াবা সহ সিএনজি চালক আটক শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ায় ইহার একাংশের জোর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত সংবাদে ফজল কাদেরকে জড়িয়ে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে তা সর্ম্পূণ মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তি মুলক । আমার ছোট ভাই ফজল কাদের চিকিৎসা নিতে স্ত্রী সহ বর্তমানে ভারতে রয়েছে। স্ত্রী ছমিরা আক্তারের অসুস্থতা জনিত কারনে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ সেপ্টেম্বর মেডিকেল ভিসা নিয়ে ছোট ভাই ফজল কাদের ও তার স্ত্রী ভারতে যান। চেন্নাই বেলুর সিএমসি হাসপাতালের বিশেজ্ঞ ডাক্তার সুমি পুমাচ এর তত্তাবধানে সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
গত ১ অক্টোবর আইনশৃংখলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ একজনকে আটক ও সিএনজি জব্দ ঘটনায় আমার ভাই ফজল কাদেরকে জড়ানো খুবই দু:খ জনক। কারণ তিনি স্বস্ত্রীক সহ ভারতে চিকিৎসারত অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়ও ইয়াবা আটকের ঘটনায় রামু থানায় র্যাব বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলার এজাহারেও আসামী হিসাবে ফজল কাদেরের নাম নেই। কেবল ভাব মুর্তি ক্ষুন্ন ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে পত্রিকায় অহেতুক তার নামটি জড়িয়ে দিয়েছে।
বাস্তব ঘটনা হচ্ছে, আমার ছোট ভাই ফজল কাদের জালিয়া পালং ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক। রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে তার ব্যাপক পরিচিত রয়েছে। তিনি কখনো কোন সময় ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল না বর্তমানেও নেই। স্থানীয় কু-চক্রী মহল প্রতি হিংসা পরায়ন হয়ে শত্রুতা মূলক হয়রানী করার কু-মানষে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের লিপ্ত হয়েছে। আমি এহেন মিথ্যা সংবাদের জোর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি পাশাপাশি কাল্পনিক সংবাদ পড়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমার অনুরোধ রহিল।
প্রতিবাদকারী
আব্দুল কাদের
(ফজল কাদেরের বড় ভাই)
পিতা- মৃত আজিজুর রহমান
গ্রাম- ডেইল পাড়া, জালিয়া পালং
উখিয়া, কক্সবাজার।

পাঠকের মতামত