প্রকাশিত: ১১/০৮/২০১৭ ৮:৫৭ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৩:২০ পিএম

এম বশিরুল আলম, লামা প্রতিনিধি :
লামায় নারী চিকিৎসকের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হলেন, এক নারী শিশু। গত ৯ আগষ্ট ঘটনাটি ঘটেছে লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার-এর সেন্ডেল চুরির অপবাদে ১১ বছরের শিশু লামা মাদরাসার ৫ম শ্রেণির ছাত্রী পলি বেগমকে মারধর করে দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত টয়লেটে আটকে রাখে। এ ব্যাপারে লামা থানায় অভিযোগ হয়েছে।

নির্যাতিত শিশুর পিতা ও গ্রামবাসী সূত্রে প্রকাশ, গত মঙ্গলবার (৮ আগষ্ট) দুপুরে শিশু পলি বেগম তার ক্লাসফ্রেন্ড আরেক শিশুর সাথে হসপিটাল ক্যাম্পাসে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার জান্নাতারা বেগমের বাসায় যান। সেখান থেকে ফেরার পথে পলি’র সেন্ডেল ছিড়ে যাওয়ায়; সে তার ক্লাসফ্রেন্ডের অনুরোধে আরেক জোড়া সেন্ডেল পায়ে দিয়ে চলে আসে। পরেরদিন ৯ আগষ্ট দুপুর ২টায় সেন্ডেল জোড়া ফেরৎ দিতে শিশুটি ওই বাসায় গেলে; তাকে চোর অপবাদ দিয়ে মারধর করে টয়লেটে আটকিয়ে রাখে। এক পর্যায়ে শিশু পলি বেগমের আত্মচিৎকার শুনে বিকেল ৫টায় হাসপাতালপাড়ার লোকজন এসে তালাবদ্ধ টয়লেট থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় (বৃহস্পতিবার) ১০ আগষ্ট শিশুর পিতা মো: খোকন বাদী হয়ে লামা থানায় অভিযোগ করেন।

শিশু পলি বেগম জানান, ‘সেন্ডল ফেরৎ দিতে গেলে, উপসহকারী কমিউনিটি সহকারী মেডিক্যাল অফিসার জান্নাতারা ম্যাডাম আমাকে রুমে নিয়ে ৪/৫টি তাপ্পর দেয়, এক পর্যায়ে ঝাড়– দিয়ে মারার জন্য উদ্যত হয়। পরে গাড় ধাক্কা মেরে আমাকে বাথরুমে ঢুকিয়ে তালা মেরে রাখে’। ‘আমি চোর নয় এটা বুঝাতে চেয়েছে, কিন্তু তিনি আমার কথা শুনেননি’।

পলি বেগমের পিতা মো: খোকন জানান, থানায় অভিযোগ করায় ওই মহিলা তাকেও চুরির মামলাসহ বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিচ্ছেন।

এব্যপারে লামা থানার এসআই পরিক্ষিত জানান, ঘটনাটি দু’পক্ষের ভুলবুঝাবুঝির জের। এ নিয়ে বসা হবে, সিদ্ধান্ত না হলে আইনে যা হওয়ার হবে। এ ব্যপারে উপসহকারী কমিউনিটি সহকারী মেডিক্যাল অফিসার জান্নাতারা-এর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কয়েকদফা ফোন করে যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তা ডা: উইলিয়াম-এর সাথে।

পাঠকের মতামত

সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ড কর্তৃক বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ তারিখ দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার ...