উখিয়া নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬/১১/২০২৩ ৯:৫৭ এএম
Single Page Top

দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমার কারণে গত মাসে ৯ দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। কিন্তু তখন ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে কক্সবাজারে আশানুরূপ পর্যটক আসেনি। এরপর গত ২৮ অক্টোবর থেকে বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধের কারণে পর্যটনশিল্পে বড় প্রভাব পড়েছে। এক সপ্তাহে এই খাতে প্রায় শতকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটিতেও অনেকটা নিষ্প্রাণ ছিল দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। এর মধ্যে সরকারের পদত্যাগ দাবিতে আজ রোববার থেকে বিএনপির ডাকে আবার দুই দিনের অবরোধ শুরু হচ্ছে। পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যটন মৌসুম।

অন্য সময়ে পর্যটক ভরপুর থাকে। রাজনৈতিক অস্থিরতায় মানুষ এখন ঘুরতে বের হচ্ছে কম।

কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পর্যটন এলাকায় পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রেস্টহাউস ও রিসোর্ট রয়েছে। এতে অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজার পর্যটক থাকার সুবিধা রয়েছে। প্রতিবছর অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত পর্যটন মৌসুম ধরা হয়। গত শুক্র ও গতকাল শনিবার ৯০ শতাংশ হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসের কক্ষ খালি ছিল। অথচ বর্ষা মৌসুমেও এর চেয়ে বেশি পর্যটক কক্সবাজার এসেছে বলে জানান পর্যটন খাতের ব্যবসায়ীরা।

ফেডারেশন অব ট্যুরিজম সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পে ব্যাপক বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে পর্যটন ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হবে।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত সুগন্ধা পয়েন্টে পর্যটক সেবায় নিয়োজিত জেলা প্রশাসনের বিচকর্মী বেলাল হোসেন জানান, গতকাল সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ পয়েন্টে হাজার দুয়েক পর্যটক নেমেছেন।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, দেশে অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করায় ভয় আর আতঙ্কের কারণে পর্যটক আগমনের সংখ্যা হতাশাজনক। মৌসুমের শুরুতে এক সপ্তাহ ধরে আশানুরূপ পর্যটক না আসায় ক্ষতি ছাড়িয়েছে অন্তত শতকোটি টাকার বেশি। দেশে এ ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করলে পর্যটকের খরায় ধস নামবে পর্যটনশিল্প খাতে।

কক্সবাজারের পাশাপাশি প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনেও পর্যটক কমেছে জানান সি-ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর। তিনি বলেন, টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে চলাচলকারী তিনটি জাহাজে গতকাল ৪২০ জন পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে গেছেন। আজ পর্যটকের এ সংখ্যা আরও কমবে। কারণ, তেমন কোনো টিকিট কাটেনি পর্যটকেরা। সুত্র: আজকের পত্রিকা

পাঠকের মতামত

Single Page Bottom

টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ ...

অপহরণ-সন্ত্রাসে জনশূন্য জুম্মাপাড়া, আতঙ্কে ঘরছাড়া ২০০ পরিবার

রহমত উল্লাহ • কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অপহরণ আতঙ্ক বিরাজ ...

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণের উদ্যোগে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...
Single Page Footer