ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২২/০৭/২০২৬ ১২:৫৯ পিএম

রহমত উল্লাহ •

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে অপহরণ আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত তিন সপ্তাহে ওই এলাকায় দুটি অপহরণের ঘটনায় অন্তত ২০০ পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।

তার আগে গত তিন বছরে বছরে বাহারছড়াসহ টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় ২৯৫টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। সরেজমিনে একাধিক দিন এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, প্রাণভয়ে কেউ কেউ বাড়িঘরে তালা দিয়ে অন্যত্র আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, টেকনাফের জননিরাপত্তা নিয়ে গত সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জরুরি এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৮ জুলাই, সকাল ১১টা।

বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে মধ্যবয়সী দুই ব্যক্তি নিজেদের মধ্যে কথা বলছিলেন। তাঁদের একজনের কণ্ঠে আক্ষেপ, ‘আমার ৫৫ বছরের জীবনে এমন পরিস্থিতি আর কখনো দেখিনি। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এখানকার বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে কোথাও যেতে হয়নি, কিন্তু এখন ঘর থেকে বের হলেই অপহরণের ভয়। মনে আতঙ্ক—বাড়ি ফিরে যেতে পারব তো!’

এলাকার এমন পরিস্থিতির কারণ জানতে চাইলে জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা আবু তৈয়ব বলেন, ‘আমাদের এলাকাটি পাহাড়ঘেরা জনপদ।

পাহাড়ের পাদদেশে পাঁচ শতাধিক পরিবারের বাস। আর পাহাড়ের ওপরে অপহরণকারী সন্ত্রাসীদের অবস্থান। সন্ধ্যা নামলে তারা নিচে নেমে আসে। সামনে যাকে পায়, তাকে অপহরণ করে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে। কাউকে না পেলে বাড়িঘরে লুটপাট চালায়।

বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়া এলাকায় গত শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। জুম্মাপাড়ার পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় এগোতে চাইলে স্থানীয় এক ব্যক্তি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘ভাই, কোথায় যাচ্ছেন? ওদিকে গেলে আপনাকেও ধরে নিয়ে যেতে পারে।’

পরে স্থানীয় পরিচিত দুই যুবককে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা সামনে এগিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ের পাদদেশের বাড়িগুলো জনশূন্য। চারদিকে সুনসান নীরবতা।

ফেরার পথে দেখা মেলে একজন নারীর। তিনি নিজের বাড়ির দিকে যাচ্ছেন। তাঁর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাড়ি থেকে কিছু মালপত্র নিয়ে আসতে যাচ্ছি।’

কোথা থেকে এসেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তিন সপ্তাহ ধরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। জরুরি কিছু জিনিস নিতে এসেছি।’

কেন নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যেতে হয়েছে, জানতে চাইলে রুবী আক্তার নামের ওই নারী বলেন, ‘রাতে প্রায় প্রতিদিনই সশস্ত্র লোকজন এসে আমাদের পাড়ায় গুলি চালায়। ঘরের দরজা ভাঙচুর করে, লুটপাট চালিয়ে চলে যায়। এমন আতঙ্ক নিয়ে কিভাবে থাকি? শেষে নিজের বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।’

এর আগে গত ১৬ জুলাইয়ের কথা। এশার নামাজের আগে অজু করতে ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন জুম্মাপাড়া এলাকার নাজমা আক্তার। পাহাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে কিছুটা দূরে তাঁর বাড়ি। স্বামী প্রবাসে। দুই সন্তান নিয়ে তাঁর বসবাস।

নাজমা আক্তার বলেন, ‘অজু করছিলাম। হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। হঠাৎ বাড়ির উঠানের পাশে গোলাগুলির শব্দ শুরু হয়। আতঙ্কে দৌড়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিই। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলে গোলাগুলি। ওরা দেখতে চাচ্ছিল কেউ ঘর থেকে বের হয় কি না। এখন মাঝেমধ্যেই অস্ত্রধারীরা আমাদের এলাকায় আসে। অনেক বাড়িতে মানুষ না থাকায় আমরা আতঙ্কে আছি।’

গত ২৮ জুন প্রকাশ্য দিনের বেলায় অস্ত্রের মুখে অপহরণ করা হয় পল্লী চিকিৎসক কামাল উদ্দিনকে। পরে তিনি মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে আসেন। এর মধ্যে গত ১৭ জুলাই ফের একটি শিশু অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। ওই দিন বিকেলে বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর নয়াপাড়া এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার আবদুল মাবুদের শিশুপুত্র আরাফাত (১২) মহিষ আনতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। গত সোমবার চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় লোকজন জানায়, বাহারছড়া এলাকার অন্তত ২০০ পরিবারের সদস্যরা প্রাণভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। এসব পরিবারের অনেক সদস্য এখনো নিজ বাড়িতে ফেরার সাহস পাচ্ছে না।

মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন পল্লী চিকিৎসক : গত ২৮ জুন জুম্মাপাড়া এলাকা থেকে অস্ত্রধারীরা পল্লী চিকিৎসক কামাল মাস্টারকে অপহরণ করে। দুই লাখ টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে আট দিন পর গত ৬ জুলাই রাতে তাঁকে মৌচনী এলাকায় রেখে যাওয়া হয়। তাঁর পরিবারের সদস্যদের দাবি, অপহরণের পর নির্যাতনের কারণে কামাল মাস্টার এখনো অসুস্থ।

এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মুক্তিপণ আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে দ্রুতই যৌথ অভিযান চালানো হবে।’

অপহরণ আতঙ্কে জুম্মাপাড়া এলাকার যে বাসিন্দারা এখনো বাড়ি ফেরেনি তাদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ হোসেন, জাহেদ হোসেন, মোহাম্মদ রফিক, মুজিব উল্লাহ, নব্বী হোসেন, লিয়াকত আলী, ফেরদৌস, মোহাম্মদ শফিক, ছৈয়দ আলম, মোহাম্মদ আয়ুব, খালেদা বেগম, মাহফুজ আক্তার, রুবী আক্তার, আবুল হাশিম, মুজিবুল্লাহ প্রমুখ। তাঁরা বলছেন, অপহরণের ভয়ে নিজ বাড়িতে ফিরতে সাহস পাচ্ছেন না তাঁরা।

টেকনাফ উপজেলা সদর থেকে বাহারছড়া ইউনিয়নের জুম্মাপাড়ার দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। আর বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে এলাকাটির দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। অপহরণ কিংবা সশস্ত্র হামলার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছতে আধাঘণ্টা সময় লেগে যায়। এই সময়ের মধ্যে সন্ত্রাসীরা তাদের কাজ সেরে সটকে পড়ে।

অপহরণে জড়িত রেদওয়ান, বুলেট ও আবুল গ্রুপ : বাহারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের বিষয়ে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, রোহিঙ্গা ও বাঙালি সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা অন্তত তিনটি সশস্ত্র গ্রুপ এ অপহরণকাণ্ডে সক্রিয়। এই গ্রুপগুলো হলো রেদওয়ান গ্রুপ, বুলেট গ্রুপ ও আবুল গ্রুপ। অপহরণের পর ভুক্তভোগীদের বাহারছড়ার দুর্গম পাহাড়ি আস্তানায় আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। তবে এসব অপহরণের ঘটনায় কারা জড়িত, তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশকে জানালে নেমে আসে নির্যাতন : জুম্মাপাড়া এলাকার নোয়াখালী কচ্ছপিয়া পাহাড় থেকে ১০০ মিটার দূরে মো. ইমরানের বাড়ি। গত মে মাসে তিনি অস্ত্রধারীদের হাতে অপহরণের শিকার হন। পরিবারের সদস্যরা দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে তাঁকে মুক্ত করে আনে।

ইমরান বলেন, ‘অপহরণের পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী যদি উদ্ধারের জন্য পাহাড়ে অভিযান চালায় তখন হাত-পা, চোখ-মুখ বেঁধে আমাদের মারধর করা হয়। মুক্তিপণ আদায়ে যত ধরনের নির্যাতন আছে, সব প্রয়োগ করে সন্ত্রাসীরা।’

যাদের টার্গেট করে অপহরণ করা হচ্ছে : বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া ও জুম্মাপাড়া এলাকা দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার ও অপহরণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। জানা গেছে, আগে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি চক্র এখন অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব চক্রের একটি তথ্যদাতা নেটওয়ার্ক রয়েছে। কোন পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো, কার স্বজন প্রবাসে আছে বা কাকে অপহরণ করলে দ্রুত মুক্তিপণ পাওয়া যাবে—এমন তথ্য সংগ্রহ করে তারা পরিকল্পিত অপহরণ করে। এ কারণে প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা।

যা জানা গেছে : স্থানীয় বাসিন্দা, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে আসা কিছু ব্যক্তি এবং স্থানীয় বেকার যুবকের সমন্বয়ে অন্তত তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অপহরণকাণ্ডে সক্রিয়। এসব গোষ্ঠীর সদস্যরা বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া, জুম্মাপাড়া পাহাড়, হ্নীলা ইউনিয়নের উনচিপ্রাংয়ের জুম পাহাড়, মিজ্জির পাহাড়সহ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নিয়ে সেখান থেকে তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের প্রথমে জুম্মাপাড়া পাহাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরে হ্নীলার জুম পাহাড়ে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এই জুম পাহাড়ে বসেই ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে কত টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হবে, কিংবা মুক্তিপণ না পেলে কী করা হবে, সেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব কর্মকাণ্ডে তারা আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে।

তিন বছরে অপহৃত ২৯৫ জন : আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল—এই তিন বছরে টেকনাফের বাহারছড়া এলাকাসহ আরো কয়েকটি এলাকায় অন্তত ২৯৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছে। আর চলতি বছর এ পর্যন্ত আরো অন্তত ২০টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ওই এলাকায় হত্যা ও সশস্ত্র সহিংসতার ঘটনাও বেড়েছে।

গত ৩ মে নোয়াখালীপাড়ার ব্রিজ এলাকায় অপহরণের চেষ্টাকালে শহিদ উল্লাহ (১৯) নামের এক তরুণ গুলিবিদ্ধ হন। এর আগে এপ্রিল মাসে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সুমাইয়া নামের এক তরুণী নিহত হন। একই মাসে পাহাড়ি এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডাংশসহ আরো তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা হয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। টেকনাফকে নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত করতে আমরা কাজ করছি।’

টেকনাফে যৌথ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সোমবারের সভায় কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আর টেকনাফে মাদক ও অপহরণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব এলাকায় অপহরণের ঘটনা বেশি ঘটছে, সেখানে টহল জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামিম আরা স্বপ্না, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংস্থার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

পাঠকের মতামত

 

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণের উদ্যোগে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ...

রোহিঙ্গা খাদ্য কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির চোখ ফাঁকি দিয়ে ‘মাঈশা এন্টারপ্রাইজ’ এর হরিলুট!

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রিত প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে জেনারেল ফুড এসিস্ট্যান্ট (জিএফএ) কার্যক্রমের আওতায় মানবিক ...