প্রকাশিত: ২৩/১১/২০১৬ ৮:০৪ এএম
কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে ১৫জনের এ পরিবারটিকে অবৈধ ভাবে আশ্রয় দিয়েছে কথিত ক্যাম্প কমিটির সভাপতি আবু ছিদ্দিক( ওরফে জঙ্গি ছিদ্দিক)
কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে ১৫জনের এ পরিবারটিকে অবৈধ ভাবে আশ্রয় দিয়েছে কথিত ক্যাম্প কমিটির সভাপতি আবু ছিদ্দিক( ওরফে জঙ্গি ছিদ্দিক)
কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তিতে ১৫জনের এ পরিবারটিকে অবৈধ ভাবে আশ্রয় দিয়েছে কথিত ক্যাম্প কমিটির সভাপতি আবু ছিদ্দিক( ওরফে জঙ্গি ছিদ্দিক)

সরওয়ার আলম শাহীন,উখিয়া নিউজ ডটকম::

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রোধ করা যাচ্ছেনা।প্রায় প্রতিদিন মিয়ানমার থেকে সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে।বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি অনুপ্রবেশকৃত রোহিঙ্গাদের আটক করে পুশব্যাক ও অব্যাহত রেখেছে।কিন্তু পুশব্যাক হওয়া রোহিঙ্গারা সীমান্তে নিয়োজিত দালাল চত্রেুর মাধ্যমে পুনরায় এদেশে চলে আসছে বলে খবর পাওয়া গেছে।উখিয়া টেকনাফ সীমান্তের প্রায় ১৩ টি পয়েন্টে ৫০ জন দালাল সক্রিয় রয়েছে বলে বিভিন্ন সুত্রে জানা গেছে।উখিয়া টেকনাফের প্রতিটি ভাড়াবাসায়,সংরক্ষিত বনাঞ্চলে,সমুদ্র সৈকতের বস্তিতে এবং কুতুপালং ও নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবির সংলগ্ন বস্তিতে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় নিতে দেখা যাচ্ছে।এসব পাচারকারী দালালরা সক্রিয় হয়ে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে হাজার হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রেেবশ করাচ্ছে বলে সুত্র জানায়।

উখিয়া রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন করে বিভিন্ন সুত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে,উখিয়া টেকনাফের রোহিঙ্গা পাচারকারী দালালরা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সময় জনপ্রতি ১ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে অনেক মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে,মিয়ানমার থেকে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের আনার জন্য এসব দালালরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জনপ্রতি ১০ থেকে ২০/৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছে।জানা যায়-এসব দালালরা উখিয়ার ঘুমধুম,তুমব্রু,পালংখালী, রহমতের বিল,দরগাবিল,আমতলী,বালুখালী,টেকনাফ পৌরসভা এলাকার নাইট্যংপাড়া ঘাট,জালিয়াপাড়া ঘাট,নাজির পাড়া ঘাট, শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়া ঘাট,করিডোর ঘাট ও মিস্ত্রিপাড়া ঘাট,ঘোলাপাড়া ঘাট এলাকায় বিভিন্ন কৌশলে রোহিঙ্গাদের এদেশে পাচার অব্যাহত রেখেছে।পাচারের সুবিধার্থে হাতে মোবাইল ফোন নিয়ে একজন এক এক জায়গায় অবস্থান করে বিজিবি সহ প্রসাশনের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।এসব দালালদের উখিয়া উপজেলার সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও পাচার নিয়ন্ত্রন করছে উখিয়া কুতুপালং আন রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা আবু সিদ্দিকনুরুল হক,,মোহাম্মদ নুর ও আইযুব মাঝি।তাছাড়া টেকনাফের নাজিরপাড়ার আবদুর রহমান,হাসু,ছালাম।বরইতলী ঘাট নিয়ন্ত্রন করে কবির আহাম্মদ,ছিদ্দিক, নুল আলম,ইসমাইল,জামাল,নেজাম,আলী আকবর,আলমাজ।হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া-ফেরানপুর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে নুর হাসিমের ১০ জনের সিন্ডিকেট,নয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে আবুল হাসেম, আব্দুছ ছালাম,আব্দুল জলিল সিন্ডিকেট,পৌরসভার নাইট্যংপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে ফরিদ,সৈয়দ,শামশু,রফিক,ছৈয়দ আলম সিন্ডিকেট,জালিয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে মঞ্জুর সিন্ডিকেট,শাহপরীরদ্বীপ জালিয়াপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে মোঃ আলম,কালামিয়া সিন্ডিকেট, করিডোর ঘাট নিয়ন্ত্রন করে দক্ষিণপাড়ার মোঃ ইসমাইল, রহমত উলাহ, ইলিয়াছ সিন্ডিকেট ও মিস্ত্রিপাড়া ঘাট নিয়ন্ত্রন করে কলিম উলাহ,আব্দুস শুক্কুর,সলিম উলাহ,কোনা পাড়ার রশিদ আলী এবং নুরুল আমিন।অভিযোগ উঠেছে,এসব রোহিঙ্গা পাচাকারীরা সংশিষ্টদের ম্যানেজ করে পাচার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ,পুশব্যাক ও দালালদের তৎপরতার ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে.কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার জানান,দালাল চক্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে।বিশেষ করে কয়েকটি এলাকায় বিজিবি’র চৌকি না থাকার কারণে রোহিঙ্গারা সেসব এলাকা  দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে।তিনি দালালদের ব্যাপারে সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন।

পাঠকের মতামত

বরেণ্য আলেম মাওলানা লুৎফর রহমান ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত

দেশের প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন ও মুফাসসিরে কোরআন মাওলানা লুৎফর রহমান ব্রেনস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে ...