প্রকাশিত: ৩০/০১/২০১৭ ১০:২৩ এএম

নিউজ ডেস্ক ::

কক্সবাজারের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে টেকনাফের নাফ ট্যুরিজম পার্ক ও সাবরাং এলাকার এক্সক্লুসিভ পার্ক। টেকনাফের নাফ ট্যুরিজম পার্কের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে এ কাজের সমাপ্তি ঘটিয়ে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা দেয়া হবে। এদিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকায় এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজ্যম পার্কের নির্মাণ কাজ শেষ হলে পর্যটন বিকাশে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি ঘটবে এই এলাকার যুগান্তকারী উন্নয়ন। টেকনাফের নাফ ট্যুরিজম পার্ক ও সাবরাংয়ের এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম পার্ক পরিদর্শন করে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব পবন চৌধুর।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টেকনাফের জালিয়ারদ্বীপে এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের জন্য ২৭১ একর জমি বরাদ্দ করা হয়। যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটি এর নিকট হস্তান্তর করা হয়। জালিয়ারদ্বীপে এই ট্যুরিজম পার্ক নির্মিত হলে কেবল কার, প্যারা সেইলিং, স্কুবাড্রাইভিং, সিং ক্রুসিংসহ অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাস্তবায়ন করা হবে। যা দেশীয় পর্যটকসহ বিদেশী পর্যটকদের নিকট আকর্ষণীয় হবে।
একইভাবে একই উপজেলার সাবরাং এক্সক্লুসিভ জোন হবে অর্থনৈতিক অঞ্চল। এই এক্সক্লুসিভ জোনের জন্য সাবরাং মৌজায় প্রায় ১১৪৭ একর জমি বরাদ্দ করা হয়। এই প্রকল্পটি গত ২০১৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিকে গতকাল ২৯ জানুয়ারি টেকনাফের নাফ ট্যুরিজম পার্ক (জালিয়ারদ্বীপ) ও সাবরাংয়ের এক্সক্লুসিভ জোন পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব পবন চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ২-বিজিবি-র অধিনায়ক আবুজার আল জাহিদসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তুষার আহমেদ। খবর, ৈদনিক কক্সবাজার
এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেন, টেকনাফের নাফ ট্যুরিজম ও সাবরাং এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজ্যম পার্ক বিশ্বমানের পর্যটন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি স্থানীয়দের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে এই ট্যুরিজম পার্ক। তিনি এসব পার্ক নির্মাণে স্থানীয়সহ সকলকে সহযোগীতা করার আহবান জানান।

পাঠকের মতামত