প্রকাশিত: ১৪/০৪/২০১৭ ৮:১১ এএম

মনতোষ বেদজ্ঞ :
চলতি অর্থ বছরে জেলায় প্রথম পর্যায়ের কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও টেস্ট রিলিফ (টিআর) খাতে ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩১ হাজার ২৪২ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। কাবিখা ও টিআর (নির্বাচনী এলাকা ভিত্তিক ও সাধারণ) কর্মসূচির আওতায় নগদ অর্থ দ্বারা সোলার হোম সিস্টেম, সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বিনিময়ে সর্বমোট ৭১৫টি প্রকল্পের অধীনে ৬৩১টি প্রাতিষ্ঠানিক ও ৫টি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম এবং ৭৯টি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা। ইতোমধ্যে সকল প্রকল্পের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক কাজী মো: আবদুর রহমান।
জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা সূত্র জানিয়েছে, কক্সবাজার সদর উপজেলায় (পৌরসভাসহ) এক কোটি চার লাখ ৪৫ হাজার ২৩৫ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এই বরাদ্দ থেকে ৮৮টি প্রকল্পের অধীনে ৮৫টি প্রাতিষ্ঠানিক ও দুইটি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম এবং একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হবে। রামু উপজেলায় বরাদ্দ পাওয়া গেছে ১ কোটি ১০ লাখ ২৬৯ টাকা। এই বরাদ্দ থেকে ৯৩টি প্রকল্পের অধীনে ৯১টি প্রাতিষ্ঠানিক ও দুইটি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হবে। চকরিয়া উপজেলায় (পৌরসভাসহ) এক কোটি ৫৬ লাখ ৬৯ হাজার ২৫৯ টাকা বরাদ্দ এসেছে। প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে ৯৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে ৯২টি প্রাতিষ্ঠানিক ও একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম এবং একটি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হবে। পেকুয়া উপজেলায় বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৬৫ লাখ ৮ হাজার ৩২১ টাকা। এই বরাদ্দ থেকে ৪৫টি প্রকল্পের অধিনে ২৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম ও ২০টি অপ্রাতিষ্ঠানিক স্ট্রিট সোলার লাইট স্থাপন করা হবে। মহেশখালী উপজেলায় (পৌরসভাসহ) এক কোটি ৩৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩১ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এই অর্থ থেকে ১৩৬টি প্রকল্পের অধীনে ৯২টি প্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম এবং ৪৪টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কুতুবদিয়া বরাদ্দকৃত নগদ অর্থের পরিমান ৭০ লাখ ৪৮ হাজার ১৪১ টাকা। প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে ৫৪টি প্রকল্পের অধীনে ৪২টি প্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম ও ১২টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হবে। উখিয়া উপজেলায় বরাদ্দ পাওয়া গেছে ৮৪ লাখ ৩০ হাজার ৮৭৮ টাকা। এই অর্থ থেকে ১০৭টি প্রকল্পের অধীনে মোট ১০৬টি প্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম ও একটি অপ্রাতিষ্ঠানিক সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হবে। টেকনাফ উপজেলায় (পৌরসভাসহ) নগদ অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেছে এক কোটি ১৭ লাখ ৯০ হাজার ১০৮ টাকা। প্রাপ্ত বরাদ্দ থেকে ৯৮টি প্রকল্পের অধীনে ৯৮টি প্রাতিষ্ঠানিক সোলার হোম সিস্টেম স্থাপন করা হবে।

পাঠকের মতামত

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রান্তিক এনজিও’র প্রতিবাদ

স্ত্রী-কন্যা ছেড়ে সহকর্মীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক- প্রান্তিক এনজিও কর্মকর্তা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে। ...

‘কুকি স্টেট’ প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সহিংসতা কেএনএফের

বান্দরবানের থানচি-রুমা থেকে রাঙামাটির মিজোরাম সীমান্তবর্তী সাজেক পর্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলকে নিজেদের পূর্বপুরুষের আদি ভূমি মনে ...

নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা সহায়তা

পাহাড় কর্তনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের ...