প্রকাশিত: ০৬/০৪/২০১৭ ১১:২৮ পিএম

এ.এম হোবাইব সজীব,চকরিয়া:
কক্সবাজারের চকরিয়ায় এলজিএসপির কাজের অডিটের জের ধরে ইউনিয়ন পরিষদের সভা চলাকালে মেম্বারদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন চার মেম্বার (ইউপি সদস্য)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিএমচর ইউনয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

আহত চার ইউপি সদস্য হলেন- বিএমচর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জিয়াদুল ইসলাম সেলিম (৩৩), ৭ নং ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান (২৬), ২ নং ওয়ার্ডের জুনাইদ (৩৫) ও ৯ নং ওয়ার্ডের আবদুল হামিদ (৪০)। তাদের মধ্যে দুইজনকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে লিপ্ত সবাই ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা। তবে বিএমচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন এলজিএসপির অডিট নিয়ে নয়, ৭ নং ওয়ার্ডের বিচার করা নিয়ে মেম্বারদের হাতাহাতি হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ইউপি সদস্য মিজান বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীন এলজিএসপির ১৫-১৬ ও ১৬-১৭ অর্থবছরের কাজ নিয়ে অডিট চলে। অডিট চলার সময় ৯ ওয়ার্ডের ৯টি কাজে অনিয়ম পায় অডিট দল। তার মধ্যে ৫ নং ওয়ার্ডে একটি কালভার্ট নির্মাণে অনিয়ম নিয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জিয়াদুল ইসলাম সেলিমকে প্রশ্ন করে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চায় অডিট টিম। এসময় সেলিম জানায়, এলজিএসপির ৯ ওয়ার্ডের ৯টি কাজই চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম নিজে ও তার ভাগিনা জোবাইদ মিলে করেছে। এ কাজে তারা জড়িত নয়। এ বক্তব্য দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে জোবাইদ মেম্বারদের শাসায়। পরে আড়াইটার দিকে চেয়ারম্যান তার ভাগিনা জুবাইদ ও ৫-৬ জন বহিরাগত লোক এসে সেলিম ও আমাকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান এসএম জাহাঙ্গীর আলম প্রিয় চট্টগ্রামকে বলেন, কাজের অডিট নিয়ে কোন ঝামেলা বা মারমারি হয়নি। আমি কাউকে মারিনি। গত মঙ্গলবার ৭ নং ওয়ার্ডে বিরোধীয় জমিতে ঘর বাঁধা নিয়ে বিরোধে জড়িতদের ডাকতে দুইজন চৌকিদার পাঠানো হয়। ওই চৌকিদারদের নিজের ওয়ার্ডে ঢুকতে বারণ করে শাসায় যুবলীগ নেতা ও মেম্বার মিজানুর রহমান। এছাড়া বুধবার ৭ নং ওয়ার্ডে জমির সীমানা বিরোধের জরিপ নিয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার গেলে তাকেও ৭ নং ওয়ার্ডে প্রবেশ করায় বকাঝকা করা হয়। এ নিয়ে মেম্বারদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আরো বলেন, বৃহস্পতিবার অডিট টিমের উপস্থিতিতে পরিষদের সভা চলে। এক পর্যায়ে দুপুরের খাবার খেতে বাইরে অবস্থান করা সেলিম ও মিজান মেম্বারকে ডাকতে পাঠানো হয়। এসময় ডাকতে যাওয়া মেম্বারদের সাথে তাদের হাতাহাতি হয়। এতে চার মেম্বার সামান্য আঘাত পায়। ###

পাঠকের মতামত

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রান্তিক এনজিও’র প্রতিবাদ

স্ত্রী-কন্যা ছেড়ে সহকর্মীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক- প্রান্তিক এনজিও কর্মকর্তা শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে। ...

‘কুকি স্টেট’ প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সহিংসতা কেএনএফের

বান্দরবানের থানচি-রুমা থেকে রাঙামাটির মিজোরাম সীমান্তবর্তী সাজেক পর্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলকে নিজেদের পূর্বপুরুষের আদি ভূমি মনে ...

নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামানের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা সহায়তা

পাহাড় কর্তনকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের ...