প্রকাশিত: ০৩/০৭/২০১৭ ১২:১৯ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৫:২৪ পিএম

অাজিজুল হক::


নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বন্যহাতির আকস্মিক তান্ডবে ৪টি বসতবাড়ি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাতির পদপিষ্ঠ হয়ে গাছ পালা ও ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে তবে প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।ঘটনাটি ঘটেছে ঘুমধুম ইউনিয়নের ঘোনার পাড়া গ্রামে ৩ জুলাই ভোর সাড়ে ৪টায়। প্রতিদিনের ন্যায় বন্য হাতি খাদ্যভাবের তাড়নায় ঘুমধুমের লোকালয়ে হানা দেয়। ওই দিন ভোরে ঘোনার পাড়ার হতদরিদ্র মোঃ নুরুল অালম (নুরু), মোঃ জাফর অালম, নুর হুছাইন ও মোঃ জমিরের এর বসতভিটির সৃজিত কলাগাছ সহ নানা প্রজাতির ফলদ বনজ গাছ খেয়ে সাবাড় করে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন হাতি তাড়াতে এগিয়ে গেলে এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত বন্যহাতি মোঃ নুরুর মাটির কুড়েঁ ঘরে ধাক্কা দিয়ে দেওয়াল ফেলে দেয়।এতে মাটি চাপা পড়লে হাতির পদপিষ্ঠ করে ঘরের অাসবাবপত্র ভাংচুর হয়। হাতির উপস্থিতি টের পেয়ে লোকজন অাগে থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় তেমন কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ঘুমধুম বিজিবি বিওপির সুবেদার, ঘুমধুম ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন, ঘুমধুম ইউনিয়ন কৃষকলীগ সভাপতি গোলাম ছোবাহান সিকদার, ঘুমধুম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ওবায়দুল অানছার সোহেল, ছাত্রলীগ নেতা শাহজালাল বাদল,মোঃ শাকিলসহ স্থানীয় গম্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এদিকে বাড়ি-ঘর,গাছপালা ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় মানসিক ভাবে চরম বিপর্যস্থ ও গৃহহারা হওয়ার আশংকায় পরিবারগুলো।

পাঠকের মতামত

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, বাড়েনি সরবরাহ

পর্যটনের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ...

টেকনাফে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মনখালী ও শামলাপুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে ...

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ...