প্রকাশিত: ৩০/০৯/২০১৬ ৯:৫৮ পিএম , আপডেট: ৩০/০৯/২০১৬ ৯:৫৮ পিএম

img_20160930_143200তিনি একজন দেশ প্রেমিক সরকারী আমলা। দায়িত্ব পালনকালে আমি তাকে কাছে থেকে দেখেছি। তাঁর নিষ্টাবান দায়িত্ব পালন সত্যি দেশের যে কোন এলাকাকে সরকারী বরাদ্দে সঠিক রক্ষণা-বেক্ষনে আরও উন্নত এবং সুন্দর করে তোলা তাঁর পক্ষে কোন কঠিন ব্যাপার নয়। উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ এলেও একজন প্রতিনিধির চাতুরির কারণে ফেরত যাচ্ছে দেখে ওই দেশপ্রেমিক আমলার চোখের ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল। তাঁর দায়িত্বপালনকালীন ভাঙ্গা রাস্তা-ঘাট, কালভার্ট ও ব্রিজসহ জনসেবা মূলক অনেক কাজের বরাদ্দ ফেরত যাচ্ছে। অথচ তিনি চুপ করে বসে থাকেননি। জনসেবা করে বিদায় নিতে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে কতই যে পত্র লিখেছেন তা বলে শেষ করা যাবে না। সংবাদকর্মীদের বার বার অনুরোধ করে বলেছেন, ভাই লিখেন আপনাদের এলাকার আরও একটু উন্নতি হোক। অবশেষে উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে বহিস্কারাদেশ এসে পৌছায় ওই জনপ্রতিনিধির (কারাবন্দি)। শেষ পর্যন্ত সরকারীভাবে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়ে অপর এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে উপজেলার আনাচে-কানাছে উন্নয়ন করে গেছেন এ কর্মকর্তা। আর তিনিই হচ্ছেন- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সাফায়াৎ মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম। তাকে বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) পদে পদোন্নতি দিয়ে সিলেট জেলায় বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। নাইক্ষ্যংছড়ির সর্বত্র এলাকায় যার নেতৃত্বে উন্নয়নের ছোয়া বয়ে গেছে, তিনি যেখানে থাকুন, দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করবেন, এতে এডিসি কেন, আশা করছি আরও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে পদোন্নতি দেবে সরকার।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দেশপ্রেমিক নিরলস এ কর্মকর্তা আবু সাফায়াৎ মুহম্মদ শাহেদুল ইসলাম ২০১৪ সালে যোগদান করে প্রথমে হাত দেন নাইক্ষ্যংছড়ির একমাত্র পর্যটন স্পট উপবনে। সরেজমিনে না দেখলে হয়ত বিশ্বাস করবে না কেউ। তিনি এ পর্যটন স্পটকে সাজিয়েছেন মনের মত করে। স্বাধীনতার ৪৫বছর পর তিনিই নাইক্ষ্যংছড়িতে দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। যা যুগ যুগ ধরে মনে রাখবেন স্বাধীনতা পক্ষের লোকজন। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার আমুল পরিবর্তন ঘটিয়ে ইউএনও আবু সাফায়াৎ মুহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম সর্বমহলের সুনাম অর্জন করেছেন। এ জন্য তাঁকে বিভিন্ন স্থানে সংবর্ধণা ও ক্রেস্ট প্রদান করেছে একাধিক সামাজিক সংগটন। আমরা তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করি।

লেখক:- এইচএম এরশাদ, দৈনিক জনকণ্ঠের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার(কক্সবাজার)।

পাঠকের মতামত

নতুন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানোই যখন বড় চ্যালেঞ্জ!

মিয়ানমারের তিনটি প্রধান এথনিক রেজিস্ট্যান্ট গ্রুপ—তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল এলায়েন্স (এমএমডিএ) এবং ...

একটি ফুল—

একটি ফুল, একটি ফুলের জন্যে কতো নিষ্পাপ গাছ প্রাণ হারালো, এই বর্বর শুকোনের দল বারংবার ...

দূষণের দোষী কারা!

“নীরব ঘাতক শব্দ দূষণ করছে রিক্ত নিচ্ছে ভূষণ পরিবর্তিত হচ্ছে জলবায়ু ঘাতক নিচ্ছে কেড়ে আয়ু” ...