প্রকাশিত: ২৫/০৮/২০১৬ ৯:১৫ পিএম
আলীকদমে অবৈধভাবে পাথর আহরন ও ট্রাকযোগে পাচার হচ্ছে
 আলীকদমে অবৈধভাবে পাথর আহরন ও ট্রাকযোগে পাচার হচ্ছে
আলীকদমে অবৈধভাবে পাথর আহরন ও ট্রাকযোগে পাচার হচ্ছে

এস,এম,জুয়েল,আলীকদম ::

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন খাল ও ঝিরি থেকে নির্বিচারে অবৈধভাবে পাথর আহরণ চলছেই। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। তবে পাথর আহরণকারীদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিভিন্ন খাল ও ঝিরি থেকে পাথর আহরণ করার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান। তিনি জানান, আমার ইউনিয়নের ভরিখালসহ কয়েকটি ঝিরিতে অবৈধভাবে পাথর আহরণ করার বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি প্রশাসনের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেবো।

প্রশাসনের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মমপাখই হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা ও তৈনফা মৌজার উক্লিং কার্বারী পাড়ার বাসিন্দারা স্বাক্ষর করেছেন।

সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান প্রƒথোয়াই অং মার্মা বলেন, স্থানীয় পূর্ণসেন তঞ্চঙ্গ্যা ও থুইচা মং মার্মা প্রভাব বিস্তার করে ভরিখাল থেকে পাথর আহরণ করছে। পাথর আহরণে তাদের কোন বৈধ অনুমতিপত্র নেই। পাথর আহরণের কারণে ঝিরির পানি প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় জমি ও রাস্তাঘাট নষ্ট হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত পূর্ণসেন তঞ্চঙ্গ্যা ঘটনায় জড়িত নয় বলে দাবী করেছেন।

অপরদিকে, বাঘের ঝিরি, দুপ্রু ঝিরি, পাটের ঝিরি, কাকড়া ঝিরি, ডাকাতিয়া ঝিরি থেকে স্থানীয় ও বহিরাগত কয়েকজন ব্যক্তি নির্বিচারে পাথর আহরণ করছে গত কয়েকমাস ধরে। পাথরগুলি রাতের বেলায় পাচার করা হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও চকরিয়ার একটি পাথর আহরণকারী সিন্টিকেট প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে পাথর আহরণ করছে।

স্থানীয় কয়েকজন স্কুল শিক্ষক জানান, আমরা সরকারি চাকুরী করি। তাই মুখ খুলতে পারছিনা। নির্বিচারে পাথর আহরণ করার কারণে সে সব ঝিরি থেকে পানির উৎস নষ্ট যাচ্ছে। পাচারাকারীরা প্রভাবশালী। তারা স্থানীয়দের বাধাকে উপেক্ষা করছে।

এছাড়াও ২৯১ নম্বর তৈনফা মৌজার উক্লিং ¤্রাে কারবারি পাড়ার পাশের গুইসাপ ঝিরি থেকে পাথর আহরণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ওই এলাকার প্রায় ৪০ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দৃশ্যমান কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

জানা গেছে, যে সব ঝিরি ও খাল থেকে পাথর আহরণ করা হচ্ছে সেগুলি হচ্ছে পানির উৎস। সেখানকার বাসিন্দারা বলছেন, পাথর তুলে নিয়ে পানির উৎস নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া পাথর পরিবহনের জন্য নির্বিচারে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরী করা হয়। এতে ব্যাপকহারে বৃক্ষনিধন হয়। পারমিট ছাড়া পাথর আহরণ নিষিদ্ধ হলেও স্থানীয় ও বহিরাগতরা পাথর আহরণ করে প্রকাশ্যে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। এসব পাথর আহরণে সরকারি কোন অনুমোদন নেই।

জানতে চাইলে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল-আমিন বলেন, আলীকদমের কোন খাল ও ঝিরি থেকে পাথর আহরণের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে পারমিট ইস্যু করা হয়নি। আলীকদমে অবৈধভাবে পাথর আহরণ, চলছেই স্থানীয়দের পানীয়জলের সংকট

ছবির ক্যাপশান : আলীকদমে অবৈধভাবে পাথর আহরন ও ট্রাকযোগে পাচার হচ্ছে।

এস,এম,জুয়েল,আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ- বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন খাল ও ঝিরি থেকে নির্বিচারে অবৈধভাবে পাথর আহরণ চলছেই। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা। তবে পাথর আহরণকারীদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিভিন্ন খাল ও ঝিরি থেকে পাথর আহরণ করার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ফেরদৌস রহমান। তিনি জানান, আমার ইউনিয়নের ভরিখালসহ কয়েকটি ঝিরিতে অবৈধভাবে পাথর আহরণ করার বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি প্রশাসনের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেবো।

প্রশাসনের কাছে দেওয়া অভিযোগপত্রে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মমপাখই হেডম্যান পাড়ার বাসিন্দা ও তৈনফা মৌজার উক্লিং কার্বারী পাড়ার বাসিন্দারা স্বাক্ষর করেছেন।

সাবেক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান প্রƒথোয়াই অং মার্মা বলেন, স্থানীয় পূর্ণসেন তঞ্চঙ্গ্যা ও থুইচা মং মার্মা প্রভাব বিস্তার করে ভরিখাল থেকে পাথর আহরণ করছে। পাথর আহরণে তাদের কোন বৈধ অনুমতিপত্র নেই। পাথর আহরণের কারণে ঝিরির পানি প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় জমি ও রাস্তাঘাট নষ্ট হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত পূর্ণসেন তঞ্চঙ্গ্যা ঘটনায় জড়িত নয় বলে দাবী করেছেন।

অপরদিকে, বাঘের ঝিরি, দুপ্রু ঝিরি, পাটের ঝিরি, কাকড়া ঝিরি, ডাকাতিয়া ঝিরি থেকে স্থানীয় ও বহিরাগত কয়েকজন ব্যক্তি নির্বিচারে পাথর আহরণ করছে গত কয়েকমাস ধরে। পাথরগুলি রাতের বেলায় পাচার করা হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও চকরিয়ার একটি পাথর আহরণকারী সিন্টিকেট প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে পাথর আহরণ করছে।

স্থানীয় কয়েকজন স্কুল শিক্ষক জানান, আমরা সরকারি চাকুরী করি। তাই মুখ খুলতে পারছিনা। নির্বিচারে পাথর আহরণ করার কারণে সে সব ঝিরি থেকে পানির উৎস নষ্ট যাচ্ছে। পাচারাকারীরা প্রভাবশালী। তারা স্থানীয়দের বাধাকে উপেক্ষা করছে।

এছাড়াও ২৯১ নম্বর তৈনফা মৌজার উক্লিং ¤্রাে কারবারি পাড়ার পাশের গুইসাপ ঝিরি থেকে পাথর আহরণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ওই এলাকার প্রায় ৪০ জনের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দৃশ্যমান কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি।

জানা গেছে, যে সব ঝিরি ও খাল থেকে পাথর আহরণ করা হচ্ছে সেগুলি হচ্ছে পানির উৎস। সেখানকার বাসিন্দারা বলছেন, পাথর তুলে নিয়ে পানির উৎস নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া পাথর পরিবহনের জন্য নির্বিচারে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরী করা হয়। এতে ব্যাপকহারে বৃক্ষনিধন হয়। পারমিট ছাড়া পাথর আহরণ নিষিদ্ধ হলেও স্থানীয় ও বহিরাগতরা পাথর আহরণ করে প্রকাশ্যে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। এসব পাথর আহরণে সরকারি কোন অনুমোদন নেই।

জানতে চাইলে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল-আমিন বলেন, আলীকদমের কোন খাল ও ঝিরি থেকে পাথর আহরণের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে পারমিট ইস্যু করা হয়নি।

পাঠকের মতামত