

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকান গুলোকে রোহিঙ্গারা মুলত: সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। আসলে রোহিঙ্গারা এসব ব্যবসা প্রতিষ্টানের আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ও অস্ত্র বানিজ্য। অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসা আড়াল করতেই ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা।
কুতুপালং বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশে প্রায় এক কিলোমিটার বাজার। বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই যে,এখানে এত দোকান। প্রায় সহাস্রাধিক দোকানের অধিকাংশের মালিক রোহিঙ্গা। এসব দোকানের মধ্যে স্বর্ণ,মোবাইল ও কাপড়ের দোকান সবচেয়ে বেশী। প্রতিটি দোকানে রয়েছে কোটি টাকার মালামাল। কুতুপালং বাজারের নাম করা রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে ইমাম হোসেন,এনায়েত উল্লাহ, ইদ্রিস, সব্বির,মেকানিক বেলাল, সাদেক, হেলাল অন্যতম। এ বাজারে এসব ব্যবসায়ীদের নামডাক বেশি। সবাই এদের চেনে। এরা দিনে ব্যবসায়ী। সন্ধ্যার পর ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারি। এমনটাই জানিয়েছে আশেপাশের লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসা আড়াল করতেই তারা ব্যবসায়ী সেজেছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,মিয়ানমারের চিস্থিত ইয়াবা কারবারিদের সাথে এদের রয়েছে নিয়মিত যোগাযোগ। এদের রয়েছে বাংলাদেশি ছাড়াও মিয়ানমারের একাধিক সিম। ইয়াবা ও অস্ত্রের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত এসব ব্যবসায়ীদের রয়েছে আলাদা আলাদা সিন্ডিকেট। রোহিঙ্গা ছাড়াও স্থানীয় ইয়াবা কারবারিরা মুলত তাদের কাছ থেকেই ইয়াবা সংগ্রহ করে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করার কারনে তাদের সাথে স্থানীয় একটি মহলের সখ্যতা গড়ে উঠায় তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালা উদ্দিন বলেন,অস্ত্র, ইয়াবা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। বাজার গুলোর ব্যাপারেও খবরাখবর নেওয়া হবে। সেখানে অনৈতিক কিছু করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।

পাঠকের মতামত