প্রকাশিত: ০৬/০১/২০২১ ৯:১৬ এএম

জাহাজ থেকে দূরের দ্বীপটি দুপুরের প্রখর আলোয় ধূসর দেখাচ্ছিল। যতই কাছে আসছি কেয়াবনের সারি একটু একটু করে সবুজ হয়ে উঠছে। বুকের ভেতরে প্রবাল দ্বীপের নৈসর্গিক সৌন্দর্যের মায়ায় ডুবে থাকার আকাঙ্ক্ষাও প্রবল হচ্ছিল। কিন্তু ধাক্কা খেতে হলো জাহাজ থেকে নেমে। জেটিতে দাঁড়িয়ে সামনে চোখ রাখতেই ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, সঙ্গে বোঁটকা গন্ধ। জেটি পার হয়ে সামনের বাজারের অবস্থা আরও করুণ। গাদাগাদি করা খাবারের দোকান, চিৎকার চেঁচামেচি। মনে হলো কোনো দ্বীপ নয়, চিরচেনা কোনো গাঁয়ের হাট। সামনে এগোতে এগোতে চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।
এসব ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভয়ংকর যে দিক, দ্বীপে আর প্রবাল জমছে না। কারণ, কোটি কোটি ক্ষুদ্র এই সামুদ্রিক জীব নিয়েই অপরূপ সৌন্দর্যের প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগে যেখানে ১ দশমিক ৩২ বর্গকিলোমিটারজুড়ে জীবন্ত প্রবাল ছিল, এখন সেখানে আছে মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য ৩৯ বর্গকিলোমিটার। অর্থাৎ এরই মধ্যে দ্বীপের ৯৭ শতাংশ প্রবাল নেই হয়ে গেছে। গত শতকের নব্বইয়ের দশকে এই দ্বীপে ৬৬ প্রজাতির প্রবাল আর প্রাণীর অস্তিত্ব থাকলেও এখন দশটিও টিকে নেই। পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে স্বনামধন্য গবেষক অধ্যাপক আইনুন নিশাত সমকালকে বলেছেন, প্রকৃতপক্ষে সেন্টমার্টিন আর প্রবালদ্বীপের চরিত্রে নেই, এখন নিছকই একটি পাথুরে দ্বীপ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রবাল না জমলে সর্ব দক্ষিণের ছেঁড়াদ্বীপটিরও অস্তিত্ব থাকবে না। অতিরিক্ত পর্যটকের ভিড়, অপরিকল্পিত স্থাপনা আর চরম অব্যবস্থাপনার কারণেই অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে সেন্টমার্টিন। একই সঙ্গে বাড়ছে বৈশ্বিক উষ্ণতা আর সমুদ্রের উচ্চতা। ফলে সেন্টমার্টিনকে রক্ষা করা এখন বেশ জটিল হয়ে উঠছে। এসবের পরেও সেন্টমার্টিন ঘিরে প্রভাবশালীদের মৌসুমি ব্যবসা বাড়ছে। রিসোর্ট, রেস্টুরেন্টে সয়লাব হয়ে গেছে পুরো দ্বীপ।
টেকনাফ থেকে প্রতিদিন সাতটি জাহাজ চলাচল করছে। এরই মধ্যে সম্প্রতি কক্সবাজার-সেন্টমার্টিনে চলাচলের জন্য দুই হাজারের বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতার প্রমোদতরী চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পর্যায় থেকে বারবার পর্যটন নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও কোনো উদ্যোগই আসলে নেওয়া হয়নি। খোদ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, দুই হাজার সাল পর্যন্ত সেন্টমার্টিন যেতেন দিনে গড়ে দুই থেকে তিনশ পর্যটক। এখন অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত কক্সবাজার ও টেকনাফ থেকে আটটি জাহাজে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার পর্যটক যাচ্ছেন দ্বীপটিতে। পর্যটকদের প্রায় ৫০ শতাংশই রাত্রিযাপন করছেন।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আহমেদ সমকালকে জানিয়েছেন, সেন্টমার্টিনে পর্যটক নিয়ন্ত্রণ এবং ইকো ট্যুরিজম নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে কাজ চলছে। পরিকল্পনা রয়েছে মহেশখালী ও সোনাদিয়ায় পর্যটনের আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করে সেন্টমার্টিনের ওপর চাপ কমানোর।
দ্বীপ ঘুরে যা দেখা গেল :রাত্রিযাপনের জন্য যেসব রিসোর্ট সেগুলোর ব্যবস্থাপনাও খুব ভালো নয়। দ্বীপের সবচেয়ে নামকরা দ্বিতল ‘ব্লু মেরিন’ রিসোর্টে গিয়ে এক রাতের জন্য পুরো টাকা আগাম পরিশোধ করে ছয় হাজার টাকায় যে কক্ষ বরাদ্দ পাওয়া গেল, সেই কক্ষে একজন সুস্থ মানুষের পক্ষে বেশিক্ষণ থাকা সম্ভব নয়। বিছানার চাদরে দাগ, কম্বলে আঁশটে গন্ধ, ছেঁড়া ও ময়লা তোয়ালে। বাথরুমের অবস্থা খুবই করুণ। প্লাস্টিকের বেসিনে জমে আছে ময়লা। আবর্জনার স্তূপ জমেছে জানালার পাশেই। আর বাজারের হট্টগোলে কান পাতা দায়।
রিসোর্টে বসেই খবর পাওয়া গেল, দ্বীপের গলাচিপা অংশে বেশ কিছু নতুন রিসোর্ট হয়েছে। দ্বীপ ভ্রমণে বেরিয়ে সেই অংশে যেতে যেতে চোখে পড়ল রাস্তার দুই পাশে বাড়ি-ঘর। এখানেও ‘সি ইন’ নামে একটি দোতলা রিসোর্ট ভবন চোখে পড়ল। বসতি অংশ পেরিয়ে যে সরু সড়ক সেটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। রাস্তা দিয়ে দুটি রিকশাভ্যান পাশাপাশি পার হওয়াই দায়। রাস্তার দুই পাশে অনেকখানি নিচে ভূমি, যেন গিরিখাতের মাঝখান দিয়ে পাহাড়ি পথ। রাস্তায় কোনো সুরক্ষা প্রাচীর কিংবা রেলিং নেই। রিকশাচালক সিদ্দিকের কাছে জানা গেল, মাঝেমধ্যে রিকশাভ্যান উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বিপজ্জনক রাস্তা গলাচিপায় নীল দিগন্তে রিসোর্টের অংশ পর্যন্ত। সেখানে ইটের রাস্তা পেরিয়ে মাটির রাস্তা। সেই রাস্তার পাশে নীল দিগন্তে ছাড়াও আছে কিংশুক, সায়রী নামে রিসোর্ট। এখান থেকে পশ্চিমের অংশজুড়ে বিচের পাশে গড়ে উঠেছে আরও কয়েকটি রিসোর্ট। দু-তিনটি রিসোর্ট ঘুরে দেখা যায়, কোনোটিই থাকার জন্য ততোটা মানসম্পন্ন নয়। তবে এগুলোর অবস্থা উল্লিখিত প্রথম রিসোর্টের চেয়ে কিছুটা ভালো। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, এই রিসোর্টগুলোর সবক’টির মালিক ঢাকার। তাদের নিয়োগ করা কর্মচারীরা এগুলো চালাচ্ছেন। সবই চলছে অস্থায়ী ভিত্তিতে। রিসোর্ট এলাকায় মাছির প্রবল দাপট দেখে বোঝা গেল এখানকার পরিচ্ছন্নতার অবস্থা আসলে কী।

নীল দিগন্তে রিসোর্টের ভেতর দিয়ে বিচের অংশে গেলে চোখের সামনে পানির চঞ্চল ঢেউ মন ভরিয়ে দেয়। যেন আকাশ থেকে সমস্ত নীল সাগরে এসে মিশেছে। সৈকত ঘিরে লম্বা অংশজুড়ে প্রবাল। প্রবালের ফাঁকে ব্যবহূত মাস্ক, পানির বোতল, টুকরো টুকরো আরও আবর্জনা চোখে পড়ল। স্থানীয়রা জানালেন, দিন দিন প্রবাল কমছে। সৈকতে তাকিয়ে কেয়াবনের চিত্রও দেখা গেল করুণ। দশ বছর আগে এ দ্বীপের আসার সময়ে ঘন কেয়াবনের স্মৃতি ভেসে উঠল। চোখের সামনে সেই কেয়াবন অনেকটাই ফাঁকা। সেখানে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী রেস্টুরেন্ট। সামনে রাখা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ আর কাঁকড়া। এ দিয়ে বারবিকিউ চলছে। এমন রেস্টুরেন্ট আর দোকানের সারি চোখে পড়ল প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদের বাংলো ‘সমুদ্র বিলাস’-এর সামনে। সৈকতে এত এলোমেলো শ্রীহীন দোকান দেখে স্পষ্টই বোঝা যায়, দ্বীপটি যত্ন করার মতো প্রশাসনের অস্তিত্ব এখানে নেই।
তবে দ্বীপের দক্ষিণ অংশে ছেঁড়াদ্বীপ যাওয়ার সড়কে ঘন কেয়ার সারি এখনও মন জুড়িয়ে দেয়। এখানে বিচও অনেক বেশি প্রশস্ত, দোকান নেই। আছে ওয়াচটাওয়ার। ফলে সেন্টমার্টিনে সমুদ্র বিলাসের আদর্শ স্থান আসলে এটিই। কিন্তু এখানে যেভাবে মোটরসাইকেল আর বাইসাইকেল চালানোর প্রতিযোগিতা দেখা গেল, তাতে বোঝা যায়, আর দশ বছর পর দ্বীপের এ অংশটিও উত্তর অংশ আর গলচিপার মতো করুণ অবস্থায় দেখতে হবে।
দ্বীপের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বললেন বিশেষজ্ঞরা :দ্বীপের বর্তমান এই চিত্র নিয়ে কথা হলো বিশিষ্ট পরিবেশ গবেষক অধ্যাপক আইনুন নিশাতের সঙ্গে। তিনি জানালেন, এ দ্বীপে এখন আর জীবন্ত প্রবাল নেই বললেই চলে। অপরিকল্পিত পর্যটন দ্বীপের চরিত্রই বদলে দিচ্ছে। এটি এখন প্রবাল দ্বীপের বদলে নিছক পাথুরে দ্বীপে পরিণত হচ্ছে। প্রায় দেড় যুগ আগেই আইইউসিএন (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন নেচার) থেকে এই দ্বীপে পর্যটক সীমিত করার জন্য সুপারিশ করা হয়। বলা হয়, পুরো সেন্টমার্টিন দ্বীপ সরকার কিনে নিয়ে এটি পরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কিন্তু সে কথা কেউ শোনেনি। বরং ঢাকার প্রভাবশালী বিত্তবানরা সেন্টমার্টিনকে আরও বেশি ব্যবসাকেন্দ্রে পরিণত করেছেন। সেন্টমার্টিনে এই প্রভাবশালীদের অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি সরকার। ফলে দিন দিন দ্বীপটির অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। হয়তো আর দেড় থেকে দুই যুগ পরে সেন্টমার্টিন বাস্তবে পাওয়া যাবে না। শুধু ছবিতেই স্মৃতি হয়ে থাকবে।
পরিবেশ-প্রতিবেশ গবেষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মনিরুল আহসান খান বললেন, অন্তত ছেঁড়াদ্বীপে ট্যুরিজম বন্ধ করা জরুরি। কারণ ছেঁড়াদ্বীপেই এখন পর্যন্ত জীবন্ত প্রবাল আছে। সেখানে এত বেশি পর্যটক গেলে সেখানকার প্রবালগুলোও মরে যাবে। আর সেন্টমার্টিনে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য রিসোর্টগুলো বন্ধ করতে হবে; পর্যটকদের রাতে থাকা বন্ধ করতে হবে। রিসোর্টের বৈদ্যুতিক বাতির কারণে রাতে কাঁকড়া আলোর দিকে আসে এবং বাঁচতে পারে না। আর দ্বীপে এখন কুকুরের সংখ্যা অস্বাভাবিক বেড়েছে। এর ফলে অনেক ছোট ছোট প্রাণী কুকুরের খাদ্যেও পরিণত হচ্ছে। রিসোর্টগুলোর পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থা বলতে সবকিছু চলে যাচ্ছে সমুদ্রে। ফলে সমুদ্রের পানিতে দূষণ বাড়ছে প্রবলভাবে। এ কারণে অনেক প্রাণী এবং প্রবাল মরে যাচ্ছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্ল্যানিং) সোলায়মান হায়দার সমকালকে বলেন, প্রকৃতপক্ষেই সেন্টমার্টিন তার নিজস্ব চরিত্র হারিয়ে এখন অস্তিত্ব সংকটে। অধিদপ্তর থেকে এ বিষয়টি পর্যটন বোর্ডসহ সংশ্নিষ্ট দপ্তরগুলোকে দফায় দফায় জানানো হয়েছে। পর্যটক নিয়ন্ত্রণ এবং রাত্রিযাপন বন্ধ না হলে সেন্টমার্টিনে শুধু প্রবাল কিংবা জীববৈচিত্র্য নয়, পুরো দ্বীপটিই বিলীন হয়ে যাবে।
কমানোর উদ্যোগে উল্টো পর্যটক বাড়ছে :খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে কয়েক দফায় সেন্টমার্টিনে পর্যটক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাস্তবে গত দশ বছরে কোনো উদ্যোগই কার্যকর হয়নি। টেকনাফ থেকে ২০১০ সালে যেখানে দুটি জাহাজ প্রতিদিন সেন্টমার্টিন যেত, এখন সেখানে দিনে সাতটি জাহাজ যাচ্ছে। কক্সবাজার থেকে দুই হাজারের বেশি যাত্রী বহনে সক্ষম একটি প্রমোদতরী কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটে চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ফলে বর্তমানে পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার পর্যটক ভিড় করে থাকছেন মাত্র আট বর্গকিলোমিটারের (তিন বর্গমাইল) এই দ্বীপটিতে। এ হিসাবে পর্যটন মৌসুমের ছয় মাসে প্রায় সাত লাখ পর্যটন ভ্রমণ করছেন সেন্টমার্টিনে। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ মানেই ছেঁড়াদ্বীপ ভ্রমণ অনিবার্য হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কাছে। ফলে পর্যটকরা ছেঁড়াদ্বীপকেও ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আহমেদ সমকালকে জানালেন, তিনিও অতি সম্প্রতি সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করেছেন এবং তার কাছেও দ্বীপের সার্বিক অবস্থা আশঙ্কাজনকই মনে হয়েছে। তারা পর্যটক নিয়ন্ত্রণের জন্য কয়েকটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। পর্যটকদের রাত্রিযাপন নিষিদ্ধ করার বিষয়েও সক্রিয়ভাবে ভাবা হচ্ছে। রাত্রিযাপান বন্ধ হলে সেখানে রিসোর্টগুলোও বন্ধ হবে। এতে দ্বীপের ওপর চাপ কমবে। তিনি আরও জানান, পর্যটন বোর্ড মহেশখালী এবং সোনাদিয়া দ্বীপে পর্যটন ব্যবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। মহেশখালী হতে পারে পর্যটকদের রাত্রিযাপনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। মহেশখালী ও সোনাদিয়া পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানো গেলে সেন্টমার্টিনের ওপর চাপ এমনিতেই কমে যাবে। সুত্র: সমকাল

পাঠকের মতামত

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...
Single Page Footer