প্রকাশিত: ২৭/১২/২০২০ ১১:৪৭ এএম

সৈয়দুল কাদের::
নতুন বছরের শুরুতেই কক্সবাজারে মৃদু শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি বছরের শেষেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা। এরপরই শীতের যে স্বাভাবিক কুয়াশা তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে ধীরে-ধীরে শীতের তীব্রতা বাড়ায় গরম কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই কক্সবাজারে মৃদু শৈত্য প্রবাহের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া ডিসেম্বরের শেষ কয়েক দিনে বাড়বে শীতের তীব্রতা।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, গতকাল ২৬ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা উঠা-নামার সম্ভবনা রয়েছে। শীতের শুরুতেই কক্সবাজারে বেড়েছে কম্বলসহ বিভিন্ন ধরনের গরম কাপড়ের চাহিদা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন অস্থায়ী বাজারে গরম কাপড়ের ব্যাপক চাহিদার কারণে কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পাইকারী বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। কক্সবাজার শহরের হকার মার্কেটের পাশে কম্বল মার্কেটের বিক্রেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সশরীরে আসা ক্রেতারা বুঝে নিচ্ছেন কাঙ্খিত পণ্য।
সদর উপজেলার ভারুয়াখালীর পাইকারি ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম জানান, তিনি কার্টনে (উন্নতমানের আমদানি করা কম্বল) ২০০ পিস ও গার্মেন্টেসে উৎপাদিত ৬০০ পিস কম্বল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। শীত পড়তে শুরু করায় কম্বলের দাম বেড়ে গেছে। এক সপ্তাহ আগে যে কম্বলের কার্টন ২ হাজার ৫০০ টাকায় কিনেছেন সেগুলোর মূল্যে ১০০ টাকা বেড়েছে। গরম কাপড়ের জন্য ক্রেতাদের চাহিদাও বেড়েছে।
শহীদ দৌলত ময়দানের উত্তর পাশে প্রধান সড়কে অস্থায়ী ভাবে সড়কে বসা হকারদের শীত কাপড় ব্যবসাও জমতে শুরু করেছে। কাপড় ক্রয় করতে আসা সমিতি পাড়ার রমজান আলী জানান, এখানে কাপড় কিছুটা সস্তা হওয়ায় ক্রয় করতে এসেছি।
এদিকে স্থানীয়দের ছাড়াও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অস্থায়ী বাজারগুলোতে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে শীত কাপড়ের। ঢাকা থেকে গরম কাপড় আনতে তাদের তেমন সুযোগ সুবিধা না থাকায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পাইকারী ব্যবসায়িদের মাধ্যমে গরম কাপড় নিয়ে আসছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।
এনজিও কর্মকর্তা আবদুর রহিম জানিয়েছেন, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন বাজারে যত শীত কাপড় বিক্রি হচ্ছে এর চেয়ে বেশী শীত কাপড় বিক্রি হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। তবে সবাই স্বল্পমুল্যের কাপড়ের ক্রেতা। বেসরকারি পর্যায়ে রোহিঙ্গাদের সহযোগীতার পরিমাণ কমে আসায় অধিকাংশ জিনিস নিজেদের ক্রয় করতে হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পাঠকের মতামত

স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ...

টেকনাফে মাদক গডফাদারদের ১৮২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ক্রোকের প্রক্রিয়া,তালিকায় আছে যারা

মাদক কারবারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া ১১৬ জন গডফাদারের ১৮২ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের ...
Single Page Footer