
মাঈনুদ্দিন খালেদ :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অর্থনৈতিক করিডর হিসেবে খ্যাত ঘুমধুম আর চাকঢালার সুবিধাজনক স্থানে হিসেবে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রতিবেশী দেশ মায়ানমারের সাথে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির দুটি স্থানে এ স্থল বন্দর করার বিষয়ে সাম্ভ্যব্যতা যাচাই করে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট বসানোর বিষয়টি নিশ্চত হন এ প্রতিবেদক।
আর এ পয়েন্ট সীমান্ত হাট চালু হলে দেশের অন্যান্য স্থানের চাইতে সুবিধাজনকভাবে মায়ানমারের সাথে আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবে বাংলাদেশ এমনটা মনে করছেন সীমান্তের অনেক ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল। তারা মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে এ হাট প্রক্রিয়া। তবে এ হাট সঠিক স্থানে স্থাপন করলে উপকৃত হবে পার্বত্য এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক দৃশ্যমান, দোহাজারী – ঘুমধুম যাওয়ার রেল লাইন প্রকল্পের কাজ রামু উপজেলায় চলমান রয়েছে। অন্যদিকে আরকান সড়ক থেকে চাকঢালা যাওয়ার রাস্তা আছে পুর্ব থেকেই। সামান্য সম্প্রসারণ করা হলে মায়ানমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যাবে চাকঢালা দিয়েও।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল্লাহ বলেন,বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হযে মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য বন্দর স্থাপনের সাম্ভাব্যতা যাচাই করতে ২০১৭ সালে সরকারের তৎকালীন নৌপরিবহনমন্ত্রীা শাজাহান খান নাইক্ষ্যংছড়ির এ দুটি স্থান পরিদশর্ন করেছিলেন। এরপর থেকে স্থলবন্দর নির্বাচনের বৃদ্ধি পায় তখন থেকেই। যদি এদু’টি স্থলবন্দর স্থাপিত হয় তা হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের অর্থনীতি ও সমৃদ্ধির চাকা ঘুরবে দেশের এক চতুর্থাংশ মানুষের। ইতিহাস রচিত হয়ে সম্ভাবনার সম্ভবনার নতুন দ্বার উন্মোচন হবে।
তিনি আরো জানান বর্তমানে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা গরু, মহিষ,পেয়াঁজ,মাছ, আদা সুপারি মাসকলাই আচার শুকনো বরই তেঁতুল সিমের বিভিন্ন প্রকার পণ্য আমদানি করে থাকেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকেও ্ঔষধ, রড ও সিমেন্ট সহ প্রসাধনসামগ্রী এলমুনিয়াম ইত্যাদি রপ্তানি হচ্ছে মিয়ানমারে।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় জাতীয় মানের উন্নয়ন হয়েছে মানুষের প্রাণের দাবি স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার জন্য নৌপরিবহনমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন তৎকালীন পার্বত্য জনগোষ্ঠীর সুবিধার্থে স্থলবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে আশপাশ এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন তেতুলতলা বাজার উত্তর পাড়ার এ পর্যন্ত তিনটি অংশ উপযোগী এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি বলেন, সীমান্ত হাট প্রক্রিয়াটি ২০১৭ সালে পরিদর্শন করেছিলেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদনও দেয়া হয়েছিল এ বিষয়ে তখন । তবে স্থল বন্দর প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম আর এগোয়নি।
বান্দরবানের চেম্বারের যুগ্ন সম্পাদক লক্ষীপদ দাশ বলেন, সম্ভাবনার এক মহা সুযোগ সীমান্তে বন্দর প্রতিষ্টা। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলে নিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ চান এ ব্যবসায়ী নেতা। সুত্র, দৈনিক কক্সবাজার

পাঠকের মতামত