
কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে ১৫টি ট্রলারে ছয় ব্যবসায়ীর ৭৯০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এসেছে। রোববার সন্ধ্যায় মিয়ানমার থেকে এসব পেঁয়াজ আসে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপার আফসার উদ্দিন। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ফেরদৌসের ১১৯.৭৬০, কামরুলের ১০.৬০২, এনামের ১৩৫.৩০০, হাশেমের ২৯৯.৪০০, বাহদুরের ১৬৫.৬০, নুরুল কায়েসের ৫৯.৮৮০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এসেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের চাহিদা মেটাতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। আসার পথে অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশের সংকট মোকাবিলায় আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তাই পেঁয়াজ আমদানি দিন দিন কমছে। এসব পেঁয়াজ স্থলবন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে
স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে আসা পেঁয়াজগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে খালাস করা হচ্ছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬১টি ভর্তি ট্রাক পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। পরে ৩০ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার থেকে ৬৫০ টন পেঁয়াজ আসে। এছাড়া দেশটি থেকে চলতি নভেম্বর মাসেই ১৯ দফায় ১৬ হাজার ৮৪৬ টন পেঁয়াজ এসেছে।

পাঠকের মতামত