
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও নোয়াখালীর ভাসানচর ছেড়ে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা। গত এক মাসে ভাসানচর থেকে পালিয়েছে শতাধিক রোহিঙ্গা। কক্সবাজার থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা, চিকিৎসা এবং সুযোগ-সুবিধার অজুহাতে ভাসানচর ছাড়লেও নেপথ্যে রয়েছে দালাল সিন্ডিকেটের ইন্ধন। ভাসানচরকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা দালাল চক্রের ইন্ধনেই পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের অনুসন্ধানে এমনই তথ্য মিলেছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভাসানচর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেশ কিছু রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের ফের ভাসানচরে পাঠানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পালানো ঠেকাতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলার কিছু থানাকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ’ ভাসানচরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) আতিক মামুন বলেন, ‘রোহিঙ্গারা কেন ভাসানচর ছেড়ে পালাচ্ছে তা খুঁন্ডেজ বের করার চেষ্টা করছি। রোহিঙ্গারা যাতে ভাসানচর ছেড়ে পালিয়ে না যায় সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে। ’ সূত্র জানায়, ভাসানচরে সব সুবিধা থাকার পরও ভালো লাগছে না অনেক রোহিঙ্গার। সন্দ্বীপ থানার ওসি বশির আহমেদ বলেন, ‘দালালদের সহায়তা নিয়েই ভাসানচর থেকে পালাচ্ছে রোহিঙ্গারা। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ’ মিরেরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ থানার ওসি নূর হোসেন মামুন বলেন, ‘আটক রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা আত্মীয় স্বজন ও চিকিৎসার জন্য ভাসানচর ছেড়ে পালানোর কথা বলেছে। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। ’সুত্র: বিডি প্রতিদিন

পাঠকের মতামত