প্রকাশিত: ২২/১০/২০১৮ ১০:১৬ এএম , আপডেট: ২২/১০/২০১৮ ১০:১৮ এএম

উখিয়া নিউজ ডটকম::

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা না পায়, সেজন্য অপারেটরগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) বিটিআরসি। আর এমন সংবাদে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা চরম হতাশ বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র প্রকাশ, ক্যাম্পের অভ্যন্তরে ও বাইরে রোহিঙ্গাদের হাতে হাতে মোবাইল। রবি, গ্রামীণফোনসহ বিভিন্ন অপারেটরের প্রায় সাত লক্ষাধিক মুঠোফোন তাদের হাতে রয়েছে। এসব মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তারা চুরি, ডাকাতি, খুনসহ নানা অপরাধ সংঘটিত করছে। এমনকি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গোপন তথ্য তারা এই মুঠোফোনের মাধ্যমে পাচার করছে।স্থানীয়দের অপারেটরগুলোর প্রতি দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, তারা যেন রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখে। দীর্ঘদিন পর হলেও এ দাবি আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে বলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে সাধুবাদ জানিয়েছে এলাকার সচেতন মহল।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত সপ্তাহে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা না পায় এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে তারা। চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মোবাইল কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক কাভারেজ কক্সবাজার সীমান্তের জিরো লাইনের মধ্যে রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

এরপর ২০১৭ সালে উদ্ভূত পরিস্থীতি এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব বিবেচনায় কক্সবাজার ও উখিয়া এলাকায় অস্য়ীভাবে বিটিএস স্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকা এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

রোহিঙ্গাদের কাছে সিম বিক্রির বিষয়ে সেই সময়ের টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমও অপারেটরদের সতর্ক বায়োমেট্রিক নিবন্ধন ছাড়া সিম বিক্রির কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে চিঠিতে জানানো হয়, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিভিন্ন সিম বিক্রি ও ব্যবহারের তথ্য পেয়েছে। চিঠিতে অপারেটরগুলোকে মোবাইল নেটওয়ার্ক যেন মিয়ানমার পর্যন্ত না পাওয়া যায় এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধা বন্ধ করে বিটিআরসিকে জানাতে বলা হয়েছে।

কুতুপালং মধুরছড়ার রোহিঙ্গা মাঝি এম ফয়েজুর রহমান বলেন, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমরা আত্মীয়-স্বজন ও নানাজনের খবরা খবর নিতাম। নেটওয়ার্ক বন্ধ হলে তা পারব না। মুঠোফোনের মাধ্যমে শিবিরে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।উল্লেখ্য, কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরসহ আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে।

পাঠকের মতামত

পালংখালীর ১নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে সিরাজের প্রার্থিতা ঘোষণা, দোয়া ও সমর্থন কামনা

কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা উখিয়া উপজেলার ৫নং পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের ১নং (কাস্টমস) ওয়ার্ড থেকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ...

অষ্টাদশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ হলেন উখিয়ার রিদুয়ান

অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সিভিল জজ/জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইউএনএইচসিআরকে সহায়তা করবে ফ্রান্স

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ...