আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪/০২/২০২৫ ১০:২৭ এএম

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী বৃহস্পতিবার রাখাইন রাজ্যের পাউকতাউ টাউনশিপে বিমান হামলা চালিয়ে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে, যার মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে।

মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী বৃহস্পতিবার রাখাইন রাজ্যের পাউকতাউ টাউনশিপে বিমান হামলা চালিয়ে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে, যার মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে তিনটি রাজ্যে বোমারু উড়োজাহাজ থেকে বোমা হামলার অভিযানের অংশ এটি। খবর মিয়ানমার নাউ।

পাউকতাউয়ের সিতওয়ের পূর্বে অবস্থিত দ্বীপাঞ্চলের গ্রামগুলোয় আরো দুজন নিহত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। রাখাইনের যেসব এলাকায় জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সেগুলোর মধ্যে এটিও একটি।

ওয়াই-১২ বিমান থেকে আ নাউক ইয়ি ও সিন টেট মাউ গ্রামে বোমা ফেলা হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লক্ষ্যে এ হামলা করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। কিয়াউক তাউং, মা নয়িন কাইং ও সিন টেট মাও গ্রামে হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন ২৪ বছর বয়সী পুরুষ, ১২ বছর বয়সী মেয়ে, পাঁচ বছর বয়সী ছেলে ও ৫০ বছর বয়সী এক নারী রয়েছেন।

জানুয়ারি ২০২৪ থেকে পাউকতাউ টাউনশিপের বেশির ভাগ এলাকাই আরাকান আর্মির (এএ) নিয়ন্ত্রণে। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে তারা জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান চালাচ্ছে।

স্থানীয় রাখাইন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছে। সামরিক বাহিনী ও বিরোধী জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষে পাউকতাউ শহরের অনেক এলাকা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

সোমবার বিরোধী বাহিনী ভারি গোলাবর্ষণ করে সিটওয়ে রিজিওনাল অপারেশন কমান্ড সেন্টার ও তিনটি জান্তা ঘাঁটিতে হামলা চালায়।

কাচিন রাজ্যের মোমাউক টাউনশিপেও জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে অন্তত আটজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি (কেআইএ) জানিয়েছে, ওয়াট হিন, নান্ট ইন ও আউং মিয়িন থার গ্রাম লক্ষ্যবস্তু ছিল। চীনা সীমান্তের কাছে ভামো শহরে যুদ্ধ তীব্র হয়েছে, যেখানে কেআইএ নেতৃত্বাধীন বাহিনী জান্তা সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

উত্তর শান রাজ্যে, চীনের মধ্যস্থতায় হওয়া শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর জান্তা বাহিনী তা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (টিএনএলএ) নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিমান হামলা বাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার নওংকিও টাউনশিপে এক বৃদ্ধা নিহত ও চারজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। শুক্রবার জান্তা বাহিনীর একটি ড্রোন হামলায় ওন মা থি গ্রামের একটি মঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এদিকে বুধবার নওংকিও শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিমান হামলায় অন্তত তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছে। সুত্র:বণিক বার্তা

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer