গাজীপুরের শ্রীপুরে কলেজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত করেছে এক বখাটে। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরমী বাজারের বালু মহল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজকের পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
ভুক্তভোগী কলেজ ছাত্রী বরমী ইউনিয়নের বাসিন্দা। অভিযুক্ত মামুন মিয়া (২২) উপজেলার বরমী ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের আসগর আলীর ছেলে।
কলেজ ছাত্রীর চাচাতো ভাই জানান, দু’বছর আগে ছাত্রীর পরিবারের কাছে মামুনের পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়েকে এখন বিয়ে দেবে না বলে জানিয়ে দেন বাবা। এরপর থেকে নানাভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন মামুন। ছাত্রীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু ছাত্রী নম্বর ব্লক করে দেয়। এতে আরও বেশি ক্ষিপ্ত হন মামুন। আজ কলেজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরমা গ্রামের বালুমহাল এলাকায় ছাত্রীকে একা পেয়ে ছুরি দিয়ে বুকে উপর্যুপরি আঘাত করেন মামুন। এতে রক্তাক্ত হয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর হাসপাতালে ভর্তি করে।
অভিযুক্ত মামুনের বক্তব্য নিতে তাঁর বাড়ি গেলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবেশী এক বোন নাজমা বলেন, ‘কী সমস্যা হয়েছে শুনে সবাই বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছে।’
শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রণয় ভূষণ দাস বলেন, ‘আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে এক কলেজছাত্রী হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত বলা যাবে। তার বুকে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
বরমী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নূরউজ্জামানের খান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই খবর পেয়ে হাসপাতালের গিয়েছি। বুকে মোটামুটি রক্তক্ষরণ হয়েছে। ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করে তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।’
অধ্যক্ষ বলেন, ‘শুনেছি বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এতে রাজি না হওয়াতে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বর্তমানে কলেজছাত্রী শঙ্কামুক্ত।’
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূইয়া বলেন, ‘এ বিষয়ে শুনেছি, এখন পর্যন্ত লিখত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত