প্রকাশিত: ০৩/১২/২০১৮ ৫:৫৯ পিএম

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকায় নাম উঠে এসেছে জিয়া পরিবারের। জিয়া পরিবারের সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) মোট প্রাক্কলিত সম্পদের পরিমাণ ১২০ কোটি দিরহাম। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য দুই হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক বিভাগের তথ্য ভাণ্ডার ‘ফরেন ইনভেস্টারস ক্রাট ইউএই’তে এই তথ্য পাওয়া গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতেই জিয়া পরিবারের সব সম্পদ। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, মুহাম্মদ বিন রশীদ সিটি দুবাইতে বিলাসবহুল সোবাহ হার্টল্যান্ডে বেগম জিয়ার ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর দুই বিলাসবহুল বাড়ি আছে। দুবাই ওয়াটার ক্যানেলে কাছে এই বাংলো বাড়ির প্রতিটির মূল্য পাঁচ কোটি দিরহাম করে, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রতিটি বাংলো বাড়ির দাম ১১৫ কোটি টাকা। গত ২১ জুলাই কোকোর স্ত্রী বাংলো দুটি তাঁর নামে লিখে দেওয়ার আবেদন করেন। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী এরকম হস্তান্তরের জন্য জীবিত শরিকদের অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও কোকোর নামে বে স্কয়ারে আট হাজার স্কয়ার ফিটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস আছে।

বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে রিগ্যাল টাওয়ারে একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে। এর মূল্য সাত কোটি দিরহাম (এক দিরহাম = ২৩ টাকা মাত্র), এই সম্পত্তিটি ২০০৪ সালে কেনা। ২০০৬ সালে এটি নাইমা রহমানের নামে রেজিস্ট্রি হয়। নাইমার নামে আরবেলায় একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট আছে।

বেগম জিয়ার ভাই প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দারের নামে দুবাইতে দুটি অ্যাপর্টমেন্ট আছে। এগুলো এখন তাঁর স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে দুবাই মেরিনাতে একটি এবং দুবাই ট্রেড সেন্টারে একটি। বেগম জিয়ার আরেক ভাই শামীম ইস্কান্দারের নামে দুবাইতে আছে একটি অ্যাপার্টমেন্ট। সিলিকন ওয়েসিসের পাঁচ হাজার স্কয়ার ফিট অ্যাপার্টমেন্টের বর্তমান বাজার মূল্য সাত কোটি দিরহাম।

এছাড়াও বেগম জিয়ার বড় বোন খুরশীদ জাহান হক চকলেটেরে নামে এমিরেটস হিলস-এ একটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে, যার মালিকানা সম্প্রতি তাঁর মেয়ে হাসিনা জাহানের নামে হস্তান্তর হয়েছে। হাসিনা জাহান, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিটি সম্পত্তির দলিলেই একজন অভিভাবক হিসেবে নাম রয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার। যিনি এসব সম্পত্তির বিরোধ নিষ্পত্তিকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা বিধান করে। কোনো রাষ্ট্র বা সরকারের অনুরোধে এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা ওই দেশের আইন বারিত। এছাড়া ওই সব সম্পত্তির হিসাবও তাঁরা কোনো সরকারকে দেয় না। সম্প্রতি দুবাইকে কালো টাকার স্বর্গ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আর্ন্তজাতিক মুদ্রা তহবিল। বেগম জিয়ার পরিবারের সব সম্পত্তি কেনা হয়েছে ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়কালে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়ের উৎস জানানোর কোনো বাধ্য বাধকতা নেই। সূত্র – বাংলা ইনসাইডার

পাঠকের মতামত

গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যুতে জোর

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ইস্যু, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ...

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফারোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী প্রস্তাবনা : শাহজাহান চৌধুরী

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপুল উপস্থিতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে জনজীবনে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে তারেক রহমানের ৫ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ...

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা তারেক রহমানের

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ...

নবম পে স্কেলের বাইরে যারা

সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত কয়েক শ্রেণির কর্মচারী ও শ্রমিক নবম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আসছেন না। ...