প্রকাশিত: ২১/১১/২০১৮ ৮:০৩ এএম

গিয়াস উদ্দিন ভূলু :
টেকনাফ থানা পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে কুখ্যাত ডাকাত ও ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এসময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হলেও ঘটনাস্থল হতে অস্ত্র, বুলেট ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, ২১ নভেম্বর ভোররাত সাড়ে আড়াই টারদিকে উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের হারিয়া খালীর ট্যুরিষ্টজোন সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় জিরো পয়েন্টে পুলিশ কুখ্যাত নজির ডাকাতের স্বীকারোক্তিতে তার আস্তানায় ইয়াবা বিরোধী অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এসময় পুলিশের এসআই খাইরুল আলম (৩৮), কনস্টেবল রুমন (৩৪), মংছিং প্রæ (৩৮) ও আব্দুস শুক্কুর (২২) আহত হয়। পুলিশও আতœরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করলে তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশী চালিয়ে ৪টি দেশীয় অস্ত্র, ২১ রাউন্ড গুলি, ১০ হাজার ১শ ৫০ পিস ইয়াবা ও রক্তাক্ত দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। মৃত দেহ সমুহ সাবরাং কচুনিয়ার আব্দুর রহিমের পুত্র নজির আহমদ প্রকাশ নজির ডাকাত (৩৮) এবং হ্নীলা জাদিমোরা নয়াপাড়ার আমির হামজার পুত্র আব্দুল আমিন (৩৫) বলে সনাক্ত করে। উভয়ে একাধিক ডাকাতি, মাদকসহ নানা অপরাধে সম্পৃক্ত মামলার আসামী ছিল। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর লাশ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ জানান, আটক কুখ্যাত নজির ডাকাতকে নিয়ে অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে ৪ পুলিশ আহত হয়। এময় অস্ত্র, বুলেট ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

পাঠকের মতামত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ড্রেসকোডে ঝুলছে ছাত্রীদের হিজাব

রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ড্রেসকোড আছে। এতে বিপাকে পড়ছেন পর্দা করতে চাওয়া ...

কক্সবাজার -চট্টগ্রাম মহাসড়ক নয়, মৃত্যুর পথ: যাত্রীর আতঙ্ক বাড়ছে দিন দিন

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দিনদিন বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। গত কয়েক সপ্তাহে একাধিক প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় বহু হতাহতের ঘটনা ...