ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ৩০/০৮/২০২৫ ৯:০৯ এএম

ভারতে আশ্রয় নেয়া অনেক রোহিঙ্গাকে নির্যাতন ও বিতাড়নের অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।

ভারতে আশ্রয় নেয়া অনেক রোহিঙ্গাকে নির্যাতন ও বিতাড়নের অভিযোগ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার দাবি করা হয়, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বহু জাতিগত রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে কোনো অধিকার সুরক্ষা ছাড়াই জোরপূর্বক ঠেলে দিয়েছে। শত শত রোহিঙ্গাকে নির্বিচারে আটক করেছে এবং তাদের মধ্যে অনেককে নির্যাতনও করেছে।

এইচআরডব্লিউ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ইলেইন পিয়ারসন বলেন, ‘ভারত সরকার রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দিয়ে মানবিক জীবন ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি চরম অবহেলার পরিচয় দিয়েছে। মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার এ শরণার্থীদের প্রতি নেয়া পদক্ষেপগুলো বিজেপির মুসলিমদের “‍অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” হিসেবে চিত্রিত করার নীতিকে প্রতিফলিত করে।’

এতে বলা হয়, চলতি বছরের মে মাসে ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) অবৈধ অভিবাসীদের উৎখাতে অভিযান শুরু করে, যার বলি হয় অনেক রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাভাষী মুসলিম। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থায় (ইউএনএইচসিআর) নিবন্ধিত থাকার পরও অন্তত ১৯২ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। কর্তৃপক্ষ আরো ৪০ জনকে মিয়ানমারের উপকূলের কাছাকাছি নিয়ে সাঁতার কেটে তীরে যেতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ রয়েছে। দমন-নীতির ভয়ে অনেকে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়।

বাংলাদেশে কক্সবাজার শরণার্থী শিবিরে সম্প্রতি ভারতে থেকে আসা নয়জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সাক্ষাৎকার নিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। মে মাসে বিতাড়িত ছয়জন অভিযোগ করেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের অর্থ, মোবাইল ফোন ও ইউএনএইচসিআর নিবন্ধন কার্ড কেড়ে নিয়েছে। পুলিশি হুমকির মুখে অন্য তিনজন যথাক্রমে জম্মু-কাশ্মীর, অন্ধ্র প্রদেশ ও দিল্লি থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন।’

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer