প্রকাশিত: ২৪/০৪/২০২১ ৩:২০ এএম , আপডেট: ২৭/০৪/২০২১ ৩:৩৫ পিএম
ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক

ফাইল ছবি

মাছ শিকারের আড়ালে নিয়ে আসা এবং টেকনাফে সাবরাং এলাকায় খালাসের সময় ইয়াবার চালান লুটের ঘটনায় তোলপাড় চলছে।

একাধিক সূত্রমতে লুট হওয়া চালানে প্রায় কয়েক কোটি টাকা মুল্যের দুই বস্তা ইয়াবা ছিল। ইয়াবা লুটের বিষয়টি সত্য বলে জানিয়েছে বিজিবি, মাঝিমাল্লা ও স্থানীয় বানিন্দারা। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, মিয়ানমার হতে ইয়াবার একটি বড় চালান আসতে পারে খবরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থান নেয়। এখবর ইয়াবা ডনদের কাছে পৌছে যায়। পরে রুট পাল্টিয়ে ইয়াবার চালানটি খালাসের সময় লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মূলত ইয়াবার এই বড় চালানটির মালিক শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার জাফর আলম, শাহ আলম ও বাজার পাড়ার মনজুর আলম বলে জানা গেছে।

এই ইয়াবা লুটের ঘটনা নিয়ে মুন্ডারডেইল ঘাটের ৫০টি ফিশিং বোটের মাঝিমাল্লার প্রায় আড়াই শতাধিক পরিবারের মাছ শিকার বন্ধ রয়েছে। অসহায় হয়ে পড়েছে জেলে পরিবার গুলো। ইয়াবার লুটের ঘটনায় মুন্ডার ডেইল এলাকার ইব্রাহীম, আব্দুর রহিম, ফজলুর রহমান প্রকাশ ফজরানসহ বেশকয়েকজন লুটকারী চক্র জড়িত।

স্থানীয় জেলেরা জানায়, মিয়ানমার থেকে ফিশিং বোটে করে ইয়াবার বড় চালানটি নিয়ে আসে আনোয়ার মাঝির নেতৃত্বে মো: আলম, কাদির ও রশিদ উল্লাহ। স্থানীয় জেলে নুর হোছন মাঝি বলেন, আমরা মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করি। ফিশিং বোট থেকে ইয়াবার লুটপাটের ঘটনা নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুন্ডার ডেইল ঘাট থেকে কোন ফিশিং বোট সাগরে মাছ শিকারে না যাবার জন্য বলা হয়েছে। সাগরে যেতে না পেরে বউ বাচ্চাদের নিয়ে কষ্টে আছি।

জেলে কালু মাঝি বলেন, যারা প্রকৃত ইয়াবার চালান পাচার ও লুটের ঘটনায় জড়িত তদন্তপূর্বক তাদের আইনের আওতায় আনা হোক। সাগরে মাছ ধরতে যেতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানববেতর জীবনযাপন করছি।

জানা যায়, এই চালান ছাড়াও আরও বেশ কয়েকবার ইয়াবার চালান এ ঘাটে ঢুকেছে। পবিত্র রমজান মাস ও লকডাউনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যস্ত থাকায় এত বড় ইয়াবার চালান লুটের পর এখনও অপরাধীরা ধরা পড়েনি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন দানুর কাছে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদ কর্মীদের উপর তেড়ে আসে এবং নিরহ জেলেদের গালিগালাজ করে মারধর করা হয়।

সাবরাং মুন্ডার ডেইল ঘাট সংলগ্ন খুরেরমুখ বিওপির দায়িত্বরত সুবেদার মতিউর রহমান জানান, ইয়াবা লুটের ঘটনার পর থেকে বিজিবি এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে এবং ইয়াবা লুটের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সুত্র: জনকন্ঠ

পাঠকের মতামত

স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ...

টেকনাফে মাদক গডফাদারদের ১৮২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ক্রোকের প্রক্রিয়া,তালিকায় আছে যারা

মাদক কারবারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া ১১৬ জন গডফাদারের ১৮২ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের ...
Single Page Footer