প্রকাশিত: ১৪/০৮/২০১৯ ৭:৪১ এএম

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামে কোরবানীর চামড়া বিক্রি না হওয়ায় রাস্তায় ফেলে গেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। এসব চামড়ায় পঁচন ধরায় বর্জ্য অপসারণের ট্রাকে করে সড়িয়ে নিচ্ছে সিটি করপোরেশন। এদিকে, মৌসুমী ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, এবার সিন্ডিকেট করে চামড়া কেনা বন্ধ রাখা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তারা জানালেন, বিভিন্ন এলাকায় ২০ হাজার চামড়া স্তুপ আকারে জমা পড়ে আছে।

চট্টগ্রামের পশুর চামড়ার বাজার খ্যাত চাক্তাই চামড়া গুদাম, দেওয়ান হাট, চৌমুহনী, স্টিল মিল, সল্ট গোলা এবং বিবিরহাট। শহর ও শহরের বাইরের ৫ থেকে ৬ লাখ কোরবানীর পশুর চামড়া এখান থেকে আড়তদার টেনারী গুলোতে সরবরাহ করা হয়। এসব চামড়া বিভিন্ন পাড়া মহল¬াথেকে মৌসুমী ব্যবসায়ী সংগ্রহ করে থাকে।
এবারও চামড়া সংগ্রহে একই রকম তৎপরতা থাকলেও আড়তদার ও টেনারী মালিকদের তৎপরতা ছিলনা ।  অনেক সময় অতিক্রমের পরও ক্রেতার দেখা না পাওয়া মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া বিক্রি না  করে রাস্তায় ফেলে যায়।  এতে পচন ধরে চামড়ায় ধরে। তাদের অভিযোগ সিন্ডিকেট ইচ্ছে করে চামড়া কিনছেনা।
মৌসুমী আড়তদার বলেছেন বড় ক্রেতাদের আগ্রহ নেই। লবণের দর অস্বাভাবিক, মজুরী খরচ অনেক তাই বিনা মূল্যে চামড়া নিয়েও প্রক্রিয়াজাত করাও তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ন।
এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বলছে, রাস্তায় ফেলা যাওয়া কয়েক লক্ষ চামড়া দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করায় সেকেন্ডারী আবর্জনা ডাম্পিং স্টেশনে ফেলা হয়েছে। দিচ্ছে ।
কোরবনীর পশুর চামড়ার প্রতি বড় ব্যবসায়ীদের এমন অনাগ্রহে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ক্ষুদ্ধ। বিপুল চামড়া নষ্ট করার চেয়ে মূল্যবান এ সম্পদ রক্ষায় সরকারকে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

পাঠকের মতামত

‘ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস, দেশে ফিরতে লাগবে আরও কিছুটা সময়’

মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের থেরাপি চিকিৎসা উন্নতির ...
Single Page Footer