ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ৩১/১০/২০২৬ ৫:০৩ পিএম , আপডেট: ৩১/১০/২০২৬ ৫:০৩ পিএম

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় কক্সবাজারের সামগ্রিক পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশ হলেও জেলার তিনটি পরিচিত কলেজের ফলাফলে দেখা গেছে বড় ধরনের ব্যবধান। কক্সবাজার সরকারি কলেজ তুলনামূলক ভালো ফলাফল অর্জন করলেও সরকারি মহিলা কলেজের ফলাফল মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে কক্সবাজার সিটি কলেজে পাসের হার নেমে এসেছে মাত্র ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশে।

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ২২৩ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯৪৭ জন। কলেজটির পাসের হার ৭৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৪ জন শিক্ষার্থী। জেলার সামগ্রিক পাসের হারের তুলনায় প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো।

অন্যদিকে, কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছেন ৫৮১ জন। পাসের হার ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন মাত্র ৩ জন। সরকারি কলেজের তুলনায় মহিলা কলেজের পাসের হার প্রায় ১৭ শতাংশ পয়েন্ট কম।

তিন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল করেছে কক্সবাজার সিটি কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৯৩৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও উত্তীর্ণ হয়েছেন মাত্র ২৪৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৬৯০ জন। পাসের হার মাত্র ২৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ। কলেজটি থেকে একজন শিক্ষার্থীও জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেননি।

তিন কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ৩ হাজার ১২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ হাজার ৭৭৫ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৫৬ দশমিক ৮০ শতাংশ। তিন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৭ জন, যার মধ্যে ৪৪ জনই কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪ শতাংশের তুলনায় সরকারি কলেজ ও সরকারি মহিলা কলেজ এগিয়ে থাকলেও সিটি কলেজ পিছিয়ে রয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ পয়েন্ট।

একই শহরের তিনটি কলেজের ফলাফলে এমন বড় ব্যবধান শিক্ষার মান, পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে সিটি কলেজের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া এবং জিপিএ-৫ শূন্য থাকা প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত

কক্সবাজার টেকনাফের হ্নীলা হোয়াইক্যং সীমান্তে বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে ঘরবাড়ি, ধারণা করা হচ্ছে মিয়ানমারের ওপারে ...