উখিয়া নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯/০৭/২০২৬ ১:২০ পিএম

১৯৭৮ সাল থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমারের জিইয়ে রাখা রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ভুগছে বাংলাদেশ। এই সময়ে কয়েক দফায় মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে জীবন বাঁচাতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের একাধিক শিবিরে সাময়িক আশ্রয় নিয়েছে। এতে প্রায় ৫০ বছরের ব্যবধানে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরগুলো স্থায়ী বসতিতে পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গা সংকট ভবিষ্যতেও বিদ্যমান থাকবে। এই সংকট নিরসনে জাতীয় পর্যায়ে যে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেসব কমিটিতে সব অংশীদারদের যুক্ত করলে এই সংকট থেকে সমাধান পাওয়া আরও সহজ হবে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, গত ১২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপ ইতিবাচক এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় রয়েছে তার প্রতিফলন। এই কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী- ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ আগামী তিন মাসের (৯০ দিন) মধ্যে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নপূর্বক ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কমিটি’র কাছে উপস্থাপন করবে।

রোহিঙ্গাবিষয়ক এই দুটি জাতীয় কমিটিতে যারা আছেন তাদের প্রায় সবাই নিরাপত্তা বা প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ। এই সংকট সহজে সমাধানের জন্য এই দুটি কমিটিতে কূটনীতিক ও রোহিঙ্গা প্রতিনিধিসহ সব অংশীদারদের প্রতিনিধি রাখা প্রয়োজন। এ ছাড়া কমিটির নামের ক্ষেত্রে রোহিঙ্গা স্থলে মিয়ানমারের শরণার্থী রাখা বেশি যুক্তিযুক্ত।

‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’র সদস্যরা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা, পুলিশ মহাপরিদর্শক, এনএসআই মহাপরিচালক, বিজিবি মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক। প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) কমিটির প্রধান সমন্বয়ক এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআইও) এই কমিটির সদস্য সচিব।

এই কমিটিকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তারা হলেন- কমিশনার, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি), অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পরিচালক (সীমান্ত), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), পরিচালক, সোশ্যাল স্ট্যাবিলিটি ইন্টিলিজেন্স ব্যুরো (এসএসআইবি)।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটির কার্যপরিধি হচ্ছে- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং আন্তঃসংস্থা বাস্তবায়ন তদারকিকরণ। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি ও ক্ষেত্র নির্ধারণ।

প্রধান সমন্বয়কের সরাসরি তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নের নিমিত্তে সদস্য সচিব কর্তৃক একটি পর্ষদ গঠন যেসব কার্যাবলি সম্পন্ন করবে : (ক) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সংস্থার সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণ করবে; (খ) পর্ষদ রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন করবে; এবং (গ) পর্ষদ আগামী তিন মাসের (৯০ দিন) মধ্যে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নপূর্বক রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কমিটির কাছে উপস্থাপন করবে।

গত ১২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গঠিত ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ আগামী তিন মাসের (৯০ দিন) মধ্যে রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়নপূর্বক উপস্থাপন করবে।

অন্যদিকে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে রোহিঙ্গাদের আইনশৃঙ্খলা সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন- পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান স্টাফ অফিসার, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং নিরাপত্তা পরিষেবা বিভাগ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগের সচিব।

এ ছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক, ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স মহাপরিচালক (ডিজিএফআই), জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) এই কমিটির সদস্য। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার বৈঠক করার কথা।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, এই কমিটি নির্বাচন কৌশলে আগের সরকারের ছায়া দেখতে পাচ্ছি। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের সরকারের পক্ষে রোহিঙ্গা শব্দের ব্যবহার অনভিপ্রেত। এতে সমস্যার সমাধান না বরং সমস্যা তৈরি হওয়া শুরু হলো। এই জনগোষ্ঠীকে স্পষ্টত ‘মিয়ানমারের শরণার্থী’ বলে চিহ্নিত করা উচিত ছিল।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, শরণার্থী সমস্যা অবশ্যই জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। কিন্তু তা কেবল একটা মাত্রা। এর চেয়েও প্রাথমিক হলো এটির দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক মাত্রা ও বহুপক্ষীয় ফল আউট। অ্যালোকেশন অব বিজনেস অনুযায়ী তা স্পষ্টত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারাধীন। এত বড় জাতীয় কমিটিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়া কূটনৈতিক পর্যায়ের কেউ দৃশ্যমান না হওয়া বড় ত্রুটি। শরণার্থী প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া শুরুর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ কূটনৈতিক উদ্যোগ। কমিটিতে কূটনীতিকদের অনুপস্থিতি সমস্যার এই অতি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায় আপস করবে। এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ছাড়াও সাবেক কূটনীতিকদের অন্তর্ভুক্তি জরুরি।

শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর দৈনিক সময়ের আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়া ‘রোহিঙ্গাবিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’র সবাই নিরাপত্তাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এই কমিটিতে তাদের রাখা হয়নি। এই কমিটি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে করা হয়েছে। একদিকে ভালো কিন্তু এই সংকট সমাধানের জন্য এই কমিটিতে সব অংশীদারদের রাখা প্রয়োজন। এর আগের সরকারের সময়েও এমন কমিটি গঠন করা হয়েছে কিন্তু সেখানেও সব অংশীদারদের জায়গা হয়নি।

আগের কমিটিগুলোও নিরাপত্তাভিত্তিক ছিল। আবার এই ইস্যুটা এমন যে এখানে রাজনৈতিকভাবে সর্বদলীয় প্রতিনিধি থাকা উচিত। কয়েক বছর আগে ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এই ইস্যুতে একটি অনুষ্ঠান করেছিল। সেখানে আমি অংশ নিয়েছিলাম এবং বিএনপির বর্তমান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও অংশ নিয়েছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই সংকট সমাধানে রাজনৈতিকভাবে সর্বদলীয় কমিটির কথা বলেছিলেন। এখন যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা কীভাবে কাজ করবে তা বোঝার উপায় নেই। হতে পারে এটা প্রথম ধাপ, পরবর্তী সময়ে হয়তো আরও বিস্তৃত হবে।

বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ক্রাইসিস গ্রুপে ‘রোহিঙ্গাদের বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি নতুন করে সাজানোর সময় এসেছে’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটির মিয়ানমার ও বাংলাদেশবিষয়ক সিনিয়র কনসালট্যান্ট টমাস কিন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিএনপি এর আগে ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে আগের শরণার্থী স্রোত সামাল দিয়েছিল, যখন উত্তর রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের কারণে লাখো মানুষ পালিয়ে এসেছিল। তবে এবারের পরিস্থিতি বেশি জটিল।

বাংলাদেশের জন্য এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কটি হলো আরাকান আর্মির সঙ্গে, যারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সীমান্তসহ রাখাইন রাজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। ঢাকার এই ধারণা নিয়েই এগিয়ে যাওয়া উচিত যে, আগামী বছরগুলোতে এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি একটি অনিবার্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকবে। বাংলাদেশের উচিত যত দ্রুত সম্ভব আরাকান আর্মির সঙ্গে নীরবে কিন্তু অর্থবহ যোগাযোগের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বা দূতকে নিযুক্ত করা।

জার্মানির বন আন্তর্জাতিক সংঘাত গবেষণা কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ গবেষক ডক্টর বেঞ্জামিন এটজল্ড এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও জার্মানির ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্নল্ড বার্গস্ট্রাসার ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ গবেষক ডক্টর আনাস আনসার ‘রোহিঙ্গা সংকটের জন্য কেন একটি নতুন রাজনৈতিক কল্পনার প্রয়োজন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলেন, ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের প্রথম গণপলায়নের পর, শরণার্থীরা কক্সবাজার জেলায় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলে। ১৯৯২ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিক শরণার্থী শিবিরগুলো নির্মিত হয়। ২০১৭ সালের আগস্টে গণস্থানচ্যুতির পর, এই শিবিরগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত করা হয় এবং নতুন শিবির খোলা হয়।

পর্যায়ক্রমে রাস্তাঘাট, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাজার এবং বিস্তৃত পরিষেবা নেটওয়ার্ক- এগুলোকে কক্সবাজারের অর্থনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত জটিল নগর পরিসরে রূপান্তরিত করেছে। চলাচল ও কর্মসংস্থানের ওপর আইনি বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও বহু রোহিঙ্গা দীর্ঘদিন ধরে কৃষি, মৎস্য, নির্মাণ এবং স্থানীয় পরিষেবা খাতে অনানুষ্ঠানিকভাবে অবদান রেখে চলেছেন।

মানবিক সংস্থাগুলোও প্রধান নিয়োগকর্তা এবং পরিষেবা প্রদানকারী এবং এভাবেই ‘শরণার্থী অর্থনীতি’ আঞ্চলিক অর্থনীতির একটি কাঠামোগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও উপকারী উপাদান হয়ে উঠেছে। সত্য হলো, প্রায় ৫০ বছরের ব্যবধানে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরগুলো স্থায়ী বসতিতে পরিণত হয়েছে, যা ভবিষ্যতেও বিদ্যমান থাকবে। সুত্র, সময়ের আলো

পাঠকের মতামত

টেকনাফের একরামুল হত্যা : সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট ...

টেকনাফের একরামুলকে সরাসরি গুলি করেন কারা, জানালেন চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডে ...

ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বাছাই করবেন থানা-উপজেলা নেতারা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতিটি স্তরে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী ...

সব বাধা পেরিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে জাতীয় অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা ...

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আসিয়ানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট ...

বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পরিবহন ...
Single Page Footer