প্রকাশিত: ২১/০৮/২০১৬ ৯:১৫ পিএম

received_324568634548928বিশেষ প্রতিবেদক::

সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নে সুন্দরী শ্যালিকাকে নিয়ে “বিয়ে বাণিজ্যে” নেমেছে লম্পট দুলাভাই। তাদের এ বিয়ে বাণিজ্যের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে নিরীহ যুবকরা। বিভিন্ন প্রলোভনে ফেলে বিয়ে করার পর রকমারী অজুহাত দেখিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে এরা। হ্নীলার মুছা বক্করের ছেলে নূরুল মোস্তফা নাছিম ও তার শ্যালিকা আফরোজা আকতার রুমার বিরূদ্ধে এমনটাই অভিযোগ ভূক্তভোগীদের।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালীয়া পাড়ার ছৈয়দুল ইসলাম (৩০) জানান, ২০১১ সালে হ্নীলা হোয়াকিয়া পাড়ার ওলু ফকিরের মেয়ে আফরোজা খানম রুমার সাথে ৩ লক্ষ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয় তার। বিয়ের কিছুদিন পর নববধু বাপের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। দুয়েকদিন পর ছৈয়দুল ইসলাম শশুর বাড়ীতে গিয়ে দেখেন রুমা সেখানে নেই। এরপর খবর নিয়ে জানা যায় দুলাভাই মোস্তফার সাথে কক্সবাজার বেড়াতে গেছে। তখন অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, তার স্ত্রী রুমা আগে থেকেই দুলাভাই মোস্তফার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত। ছৈয়দুল ইসলাম উক্ত পরকীয়ার প্রতিবাদ করলে মোস্তফার ইন্ধনে কনেপক্ষ বেপরোয়া আচরন করতে থাকে ও একপর্যায়ে তারা আদালতে সাজানো মামলা করে মোটা অংকের টাকা আদায় করে। টাকা আদায় করার পরেও কক্সবাজারস্হ ওয়ান ষ্টেপ ক্রাইসিস সেল ও পুলিশ সুপার বরাবরে বানোয়াট অভিযোগ দায়ের করে হয়রানীর চেষ্টা করলে একপর্যায়ে ছৈয়দুল ইসলাম বাধ্য হয়ে রুমাকে তালাক দেন।
অপর ভূক্তভোগী উখিয়া উপজেলার নিদানিয়া গ্রামের মাহবুবুল আলম মিনার জানান, উপরোক্ত আফরোজা খানম রুমা পরিচয়ের একপর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্ত নিজের আগের বিয়ের কথা সুকৌশলে গোপন রাখে। এরপর মোস্তফার ঘটকালীতে ২০১৫ সালের ২৪ এপ্রিল ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহরে রুমার সাথে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পরে নববধু রুমা বাপের বাড়ী গেলে আর শশুর বাড়ীতে আসতে চাইতনা ও স্বামীর ফোন রিসিভ করতনা। এমতাবস্হায় একদিন স্বামী মাহবুব শশুর বাড়ীতে গেলে দুলাভাই মোস্তফার সাথে রুমাকে আপত্তিকর অবস্হায় দেখতে পান। মাহবুব আরো জানান, এর কয়েকদিন পর তার অনুমতি ছাড়া মোস্তফার ভাইয়ের বিয়ে ও মেহেদী অনুষ্ঠানে গিয়ে মোস্তফার সাথে অন্তরঙ্গভাবে ছবি তোলে রুমা। তখন এ নিয়ে বাদানুবাদের পর শশুর বাড়ীতে চলে এলেও দুলাভাই মোস্তফার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে সে। শশুর বাড়ীতে থাকাকালীন সুযোগ বুঝে আবারো মোস্তফার সাথে বাপের বাড়ী চলে যায় রুমা। এর মধ্যে তার কোলজুড়ে আসে ফুটফুটে কন্যা সন্তান। কিন্তু মাতৃত্বও তাকে পরকীয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, শালী রুমা ও দুলাভাই মোস্তফার পরকীয়া এখন ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। দ্বিতীয় স্বামী মাহবুব থেকেও এখন মোটা অংকের টাকা দাবী করছে তারা। এভাবে বিয়ের নামে বাণিজ্যের খপ্পরে ফেলে প্রতারণার জাল বিস্তার করা মোস্তফা উপরোক্ত সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব তার বিরূদ্ধে চিহ্নিত মহলের ষড়যন্ত্র।

পাঠকের মতামত

রামুর ফতেখাঁরকুলে উপ-নির্বাচনে প্রতীক পেয়ে প্রচারনায় ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী

রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের উপ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধি ৩ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া ...

টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর মনিরুজ্জামানের সম্পদ জব্দ দুদকের মামলা

টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর মো. মনিরুজ্জামানের সম্পদ জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ স্পেশাল ...