প্রকাশিত: ০৩/১১/২০২১ ৮:০৪ পিএম
Single Page Top

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের আশ্রয় শিবিরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী মোহাম্মদ হাশমির মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গণপিটুনিতে হাশমি নিহত হয়েছে বলে প্রচারণা চালানো হয়। এমন কি সেখানে মৃত হাশমির ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু বুধবার (৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

পুলিশ প্রশাসন বলছে, এই ধরনের কারো মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেনি। এটা নিয়ে বিভ্রান্তকর তথ্য মিডিয়ায় প্রকাশ করছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, টেকনাফে কোনো মৃতদেহ পুলিশ পায়নি। অযথা সবাই বিভ্রান্তিকর তথ্য মিডিয়াতে প্রকাশ করছে। বিভিন্ন সংবাদে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি নিজেই আইসি’র সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি জানিয়েছেন কোনো মিডিয়ার সংবাদ কর্মীর সঙ্গে তার কথা হয়নি। এখানে শুধু শুধু পুলিশের বক্তব্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে।

জেলা পুলিশের কাছে কোনো খবর যদি না আসে, কোথাও যদি কোনো মৃতদেহ উদ্ধারই না হয়। তাহলে কিভাবে হয়েছে, এটা তো বলতে পারছি না। এটা বিভ্রান্তি।

টেকনাফস্থ ক্যাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৬ এপিবিএন’র অধিনায়ক মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ১৬ এপিবিএন অধীনস্থ ক্যাম্পে কোনো ধরনের ঘটনা ঘটলেই তা জানানো হয়। কিন্তু মঙ্গলবার রাত থেকে শুধু একটি সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা হাশমি লাশ উদ্ধার হয়েছে কিনা জানতে চাচ্ছে। তবে এ ধরনের কোনো তথ্য আমরা পায়নি। তারপরও গণমাধ্যম কর্মীদের দেওয়া তথ্যে ক্যাম্প ২১ ও ২২ সব স্থানে খবর নিয়েছি। কোনো মৃতদেহ কিংবা ক্যাম্পে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শাহীন আব্দুর রহমান বলেন, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে কোনো মৃতদেহ নেই। মঙ্গলবার থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাশমি নামের কোননো মৃতদেহ ক্যাম্প থেকে আসেনি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ায় লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহকে তার কার্যালয়ে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর গত ২৩ অক্টোবর উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি মাদ্রাসায় গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় ছয়জনকে। এরপর থেকে ক্যাম্প সন্ত্রাসীরা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে রোহিঙ্গারা দাবি করছিল। সুত্র: সময় টিভি

পাঠকের মতামত

Single Page Bottom

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...

ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

ফরিদপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করার পর আয়েশা আফরিন (১৭) নামে এক ...
Single Page Footer