
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ভাবিয়ে তুলেছে সবাইকে। গত কয়েকদিনে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের গুলিতে নিহত হয়েছে ২ বাংলাদেশীসহ ৮জন। ফলে উদ্বেগ উৎকন্ঠায় আছেন স্থানীয়রা। এতো নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যেও রোহিঙ্গাদের হাতে কিভাবে অস্ত্র যাচ্ছে সে প্রশ্নও আলোচিত হচ্ছে নানা মহলে।
কক্সবাজারের ৩৪টি ক্যাম্পে সরকারি হিসেবেই ১২ লাখের ওপর রোহিঙ্গার বাস। তবে বেসরকারি তথ্য বলছে- গত দুই বছরে এ সংখ্যা ১৪ লাখ ছাড়িয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসব রোহিঙ্গা জড়িয়ে পড়েছে ইয়াবা, অস্ত্র, মানবপাচারসহ নানা অপরাধে।
গত ৬ দিনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষে যে ৮ জন নিহত হয়েছে তাদের সুরতহাল ও ময়না তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ৬জনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে। রোহিঙ্গাদের অস্ত্রের ব্যবহারে উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিরাপত্তা বেস্টনির মধ্যে ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হাতে কিভাবে অস্ত্র যাচ্ছে, অস্ত্রের যোগান কারা দিচ্ছে? পুলিশ বলছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন তারা।
কিছু সূত্র বলছে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে ইয়াবার সাথে অবৈধ অস্ত্রও নিয়ে আসছে। বিদেশি কিছু এনজিওর বিরুদ্ধেও রোহিঙ্গাদের ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে ৪১ টি এনজিও’র কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পৃষ্টপোষকতায় রোহিঙ্গাদের একটি অংশ ক্যাম্পে অস্ত্রের ব্যবহার করছে। যা বাংলাদেশের জন্য খুবই উদ্বেগের।
দ্রুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো না গেলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে বলেও আশংকা এই নিরাপত্তা বিশ্লেষকের।

পাঠকের মতামত