ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৫/০২/২০২৪ ৯:২৩ পিএম
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী

প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার কারণে কক্সবাজারের ৩০ লাখ বাসিন্দার নানা সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান। দুপুরে সচিবালয়ে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ভনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মহিববুর রহমান বলেন, ‘আমাদের হোস্ট কমিউনিটি সাফার করছে। ইনডিরেক্টলি হোল নেশনই সাফার করছে। আমরা বলেছি, আমাদের যে হোস্ট কমিউনিটির ৩০ লাখ মানুষ যারা সহযোগীতা করছে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে তোমরা সহযোগীতা কর।’

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍সাক্ষাতে সুইডেনের আর্থিক সহায়তায় ন্যাশনাল রেজিলেন্স প্রকল্পের ২য় পর্যায়ের প্রকল্পে বরাদ্দ প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানায়, সেফ প্লাস ২য় পর্যায়ের প্রকল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে জ্বালানির জন্য এলপিজি সরবরাহ করা হচ্ছে। সবুজায়নের জন্য ক্যাম্প এলাকায় বৃক্ষরোপণ ও শাকসবজি চাষ করা হচ্ছে।

সেফ প্লাস এর ২য় পর্যায়ের প্রকল্পটি ভাসানচরে সম্প্রসারণের জন্য ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপ ও আরবে যুদ্ধ চলার কারণে রোহিঙ্গাদের উপর থেকে পশ্চিমাসহ অন্য দেশগুলোর দৃষ্টি সরে গেছে। জনপ্রতি প্রতি মাসে ১২ ডলার খরচ দেয়া হলেও তা কমিয়ে ৮ ডলার করা হয়েছে। জনপ্রতি সেই খরচ বৃদ্ধির জন্য তৎপরতা চালানো হচ্ছে।’

মিয়ানমারের বিদ্রোহীদের সঙ্গে জান্তা সরকারের সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে দেশ আক্রান্ত হলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারে সংঘাত/টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ঢুকল আরও ৯ বিজিপি সদস্য

মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ...