ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১৪/০২/২০২৪ ৯:৫৪ এএম

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ফেরত পাঠানো হবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩৩০ জন মিয়ানমারের বিজিপি ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের। মিয়ানমারের জাহাজে তাদের হস্তান্তর করা হবে মাঝসমুদ্রে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, আগামীকাল বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের একটি প্রতিনিধি দল ঘুমধুম সীমান্তে বাংলাদেশে আসা সদস্যদের মিয়ানমার নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কাজ শেষ করবেন।

বৃহস্পতিবার সকালে মিয়ানমারের এসব সদস্যদের কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে কক্সবাজারের কিনারি জেটি ঘাটে।
সেখান থেকে বাংলাদেশি জাহাজে করে তাদের নিয়ে যাওয়া হবে মাঝসাগরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমুদ্রসীমায়। সেখানে অবস্থান করছে মিয়ানমারের জাহাজ। সেখানেই মূলত মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর এসব সদস্যদের হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুমের তুমব্রু ও ডেকুবনিয়া সীমান্ত পরিস্থিতি গত মঙ্গলবার রাত থেকে স্বাভাবিক আছে। তবে মাঝে মাঝে তুমব্রু সীমান্তের ওপারে থেমে থেমে ফাঁকা গুলির শব্দ শোনা যায়।

অপরদিকে, বাংলাদেশের অভ্যন্তর সীমান্তে অস্থিরতা কমলেও কাটেনি আতঙ্ক। দুশ্চিন্তায় ৫ শতাধিক এসএসসি পরীক্ষার্থী। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে থাকা দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নতুন কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমোদনও এসেছে। পুরো সীমান্ত এলাকাটা বিজিবির তত্ত্বাবধানে নিয়ন্ত্রণে রাখা আছে।

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারে সংঘাত/টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ঢুকল আরও ৯ বিজিপি সদস্য

মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ...