প্রকাশিত: ২১/০৮/২০১৭ ৭:২২ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ২:৪৯ পিএম

উখিয়া নিউজ ডটকম::
মিয়ানমারের রাখাইনে আবারো শুরু হয়েছে মুসলমানদের উপর নির্যাতন। গত ৯ই অক্টোবর মিয়ানমারের মংডুর উত্তরে তিনটি সেনা ছাউনিতে সশস্ত্র বিদ্রোহী হামলায় ৯ জন সেনা ও ৬ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়। এ ঘটনায় পরদিন মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা মোতায়েন করে সরকার। সেনারা বিদ্রোহীদের অনুসন্ধানের নামে মংডুর ১৮টি রোহিঙ্গা অধ্যূষিত গ্রামে হামলা চালিয়ে হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নির্যাতনসহ ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। ফলে জীবন রক্ষায় গত সপ্তাহে তিন হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। রোহিঙ্গা বস্তির নেতারা অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কুতুপালং রোহিঙ্গা বস্তি ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা বলেন, গত সপ্তাহে প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। এসব রোহিঙ্গারা পরিবারসহ পালিয়ে এসে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং বস্তি ও বালুখালী বস্তিসহ আশেপাশের বনভূমিতে আশ্রয় নিয়েছে। দালালদের সহায়তায় এদের কেউ কেউ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটেনি বলে জানিয়েছে। রোববার কুতুপালং ও বালুখালী বস্তি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মিয়ানমারের মংডু নাইচ্ছংপাড়া গ্রামের হাসমত আলী (৫৫) পরিবার নিয়ে বালুখালী বস্তিতে প্রবেশের জন্য সড়কের কিনারায় অপেক্ষা করছে। এ বিষয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব নুর মুহাম্মদ সিকদার বলেন, অনিবন্ধিত রোহিঙ্গারা ইচ্ছামত চলাফেরার সুযোগ পেয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাড়ি জমাচ্ছে। এমনকি বিদেশেও অনেক রোহিঙ্গা চলে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে চট্টগ্রাম বিমান বন্দর থেকে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে আটকের ঘটনায় এটিই প্রতিয়মান হয়। রোহিঙ্গারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিরাপদ অবস্থান নেয়াটা দেশ ও জাতির জন্য একদিন হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই প্রশাসনের উচিত এই মুহুর্তে অনুপ্রবেশকারী অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করা। বিজিবি’র ঘুমধুম বিওপির সুবেদার রফিকুল ইসলাম বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নতুন করে কোন রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঘটেছে এধরনের কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মসজিদের মুয়াজ্জিন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর মৃত্যু

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দিবাগত ...