ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ১১/০৮/২০২৪ ১০:৩২ এএম

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ ড্রোন হামলা করা হয়। এতে শিশুসহ প্রায় ২ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সোমবার (৫ আগস্ট) এই হামলা চালানো হয়েছিল। মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে ঘুরে ঘুরে মৃত ও আহত স্বজনদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছিল জীবিতরা। বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

সোমবারের ড্রোন হামলার বিষয়ে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী, অ্যাক্টিভিস্ট এবং এক কূটনীতিক রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের মতে, ওইদিন সীমান্ত পেরিয়ে আসার চেষ্টা করা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। নিহতদের মধ্যে এক গর্ভবতী নারী ও তার দুই বছর বয়সী শিশুও রয়েছে বলে দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এই হামলার জন্য আরাকান আর্মিকে দায়ী করেছেন প্রত্যক্ষদর্শীদের তিনজন। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে আরাকান আর্মি।
এদিকে, এই ঘটনার জন্য মিলিশিয়া এবং মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী একে অপরকে দোষারোপ করেছে।

হামলায় ঠিক কতজন নিহত হয়েছেন তা যাচাই করতে পারেনি বা স্বাধীনভাবে দায় নির্ধারণ করতে পারেনি রয়টার্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওগুলোতে কর্দমাক্ত মাটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মৃতদেহের স্তূপ, তাদের স্যুটকেস এবং ব্যাকপ্যাকগুলোকে চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। হামলায় বেঁচে ফেরা তিন ব্যক্তি দাবি করেছেন, ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন। অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, কমপক্ষে ৭০টি মৃতদেহ তিনি দেখেছেন।
মিয়ানমারের উপকূলীয় মংডু শহরের ঠিক বাইরে ভিডিওগুলোর অবস্থান যাচাই করেছে রয়টার্স। তবে সেগুলো কবে ধারণ করা হয়েছে তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি সংস্থাটি।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer