
ম্যাথিউ ভ্যানডাইক নামে এক কুখ্যাত এক সিআইএ এজেন্ট মার্কিন তথ্যচিত্র নির্মাতার আড়ালে ইউক্রেনীয় একদল ইহুদি গোয়েন্দা নিয়ে এ কাজ হাসিলের জন্য গোপনে কুকিচিন বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে।
ম্যাথিউ ভ্যানডাইক নিজেকে মার্কিন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক, বিদেশি যোদ্ধা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, তথ্যচিত্র নির্মাতা এবং অলাভজনক সংস্থা সন্স অফ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল -এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিয়ে এলেও আসলে তিনি একজন সিআইএ’র গোয়েন্দা।
তার আসল কাজ দেশে দেশে গৃহযুদ্ধ বাঁধানো। তিনি যে দেশেই পা রেখেছেন, সেখানেই গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভারতের পাহাড় ঘেরা-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরাম ও মণিপুরে কিছুদির পর পর জাতিগত দাঙ্গার নেপথ্যে মূলত ওই ইহুদি চক্রের ষড়যন্ত্র। তারা এখন বাংলাদেশের পাহাড়ি সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তাদের কাছে একে৪৭ রাইফেল ওসেশন্ত্র ড্রোন সরবরাহ করছে মোসাদ।
কুখ্যাত মোসাদ এজেন্টরা কোন পার্সপোর্ট ভিসা ছাড়াই তিন দেশের সীমান্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছে। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিচ্ছে প্রশিক্ষণ।
গত মার্চ মাসে কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দিল্লি ও লাখনৌ বিমানবন্দর থেকে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইক এবং ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছিল ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তাদের বিরুদ্ধে মিজোরাম হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করে সেখানকার সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন যুদ্ধ ও অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ শুরুতে এসব মোসাদ এজেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের (ইউএপিএ) ধারা প্রয়োগ করলেও, পরবর্তীতে ইসরায়েলের চাপে আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে ইউএপিএ ধারা বাদ দিয়ে ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্ট (অভিবাসন ও বিদেশি আইন) এর ধারা আনা হয়।
ফলে জামিনযোগ্য অপরাধ হওয়ায় সেপ্টেম্বরে দিল্লির বিশেষ আদালত তাদের ডিফল্ট জামিন মঞ্জুর করে। জামিন পাওয়ার পর ভ্যানডাইক ও তার সঙ্গীরা যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান।
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে মোসাদ
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পর্যটক ভিসা নিয়ে ভারতে পা রাখে একদল কুখ্যাত মোসাদ গোয়েন্দা। সেই ভিসা নিয়েই ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন ম্যাথু ভ্যানডাইকসহ সাতজন। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, পর্যটক ভিসা নিয়ে ঘুরতে এলে দেশের কিছু নির্দিষ্ট অংশে যেতে হলে সরকারের বিশেষ অনুমতি নিতে হয়। এই সাত জন সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করেই চলে যান মিজোরামে। সেখান থেকে বেআইনি ভাবে সীমান্ত পেরিয়ে মিয়ানমারে।
সীমান্ত পারাপারেরও কোনও বৈধ নথি ছিল না ভ্যানডাইক ও তার সঙ্গীদের হাতে। উত্তর-পূর্বে জঙ্গি নাশকতায় জড়িত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে সেখানে পৌঁছে যান তারা।
মিজোরাম দিয়ে চোরাপথে মিয়ানমারে ঢুকে সেখানকার কুকি চিন বিদ্রোহীদের ড্রোন প্রশিক্ষণ এবং অত্যাধুনিক হাতিয়ার সরবরাহের মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে এই সাত বিদেশির বিরুদ্ধে।
কুকি চীন কারা?
২০১৭ সালে বাংলাদেশে বম নৃগোষ্ঠী দুই হাজার কর্মী নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট। বম সম্প্রদায় বেশিরভাগ খ্রিস্টান এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তোলে।
কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার স্নাতক নাথান বম। তিনি আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ছাত্র সংগঠন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ২০০৮ সালে কুকি-চীন জাতীয় উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন এবং কুকি-চীন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবকদের নামকরণ করেন।
ভারতের মণিপুরের কুকিদের সঙ্গে স্থানীয় মেইতেইদের বিরোধ চলে আসছে। এই বিরোধে গোপনে উস্কানি দিয়ে আসছে ইসরায়েল।
২০১১ সালের মাঝামাঝি সময় ম্রো ন্যাশনাল পার্টি (এমএনপি) নামে একটি দল গড়ে ওঠে বান্দরবানের আলীকদমে। খুন, অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কাজে জড়িয়ে পড়ে দলটি। এরপর ২০১৫ সালের নভেম্বরে দলটির ৭৯ জন সদস্য একযোগে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর দলটির তৎপরতা বন্ধ হয়ে যায়। ওই বছরই আলীকদমে ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর কিছু তরুণ সদস্যকে নিয়ে আরেকটি সশস্ত্র দল গঠিত হয়। এর প্রধান রুংজুমা ত্রিপুরা প্রতিবেশী একটি দেশে চলে গেছেন বলে এলাকায় প্রচার আছে। ওই দলেরও এখন কোনো তৎপরতাও নেই।
পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক নামে আরেকটি সশস্ত্র পাহাড়ি দল গড়ে ওঠে। ইউপিডিএফের কর্মীদের হত্যা ও হামলার মধ্যে দিয়েই দলটির প্রকাশ ঘটে।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আগে বান্দরবানে ‘মগ পার্টি’ নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা শুরু হয়। মারমা জাতিগোষ্ঠীর কিছু সদস্য এ দল গঠন করে বলে স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে। সর্বশেষ আত্মপ্রকাশ করে কেএনএফ।
কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বাংলাদেশে কুকি-চিন নামক সশস্ত্র সংগঠনটি পাহাড়ের দুই জেলার ৯ উপজেলা নিয়ে একটি আলাদা রাজ্য গঠনের ঘোষণাও দেয়। কয়েকটি সশস্ত্র অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি এবং হত্যার অভিযোগ উঠে শুরু থেকেই।
২০২২ সালের গোড়ার দিকে কেএনএফের নাম নজরে আসে, আসতে থাকে তাদের নানা তৎপরতার খবর। মূলত ফেসবুকে পেজ খুলে এই গোষ্ঠী তাদের অস্তিত্বের জানান দেয়। সঙ্গে ছিল সশস্ত্র তৎপরতা। বান্দরবানের বম জাতিগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তি এটি গড়ে তুলেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। কেএনএফ ফেসবুক পেজে দাবি করে, রাঙামাটি ও বান্দরবান অঞ্চলের ছয়টি জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে তারা। সেগুলো হলো- বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, ম্রো ও খুমি।
তারা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি এবং বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদম-এই উপজেলাগুলো নিয়ে আলাদা রাজ্যের দাবি করে।
তাদের কল্পিত সেই ‘রাজ্যের’ মানচিত্রও তাদের পেজে দিয়ে দেয়। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা একাধিক বিবৃতিতে কথিত এই সংগঠন জানায়, কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) নামে একটি সশস্ত্র দল গঠন করেছে তারা। তাদের মূল সংগঠনের সভাপতি নাথান বম।
কেএনএফ সেই সময় দাবি করেছিল, তাদের সামরিক শাখার শতাধিক সদস্য গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে পাড়ি জমান বছর তিনেক আগে। ২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে। ২০২২ সালে তারা আত্মগোপনে চলে যায়।
কেএনএফের প্রধান হিসেবে যে নাথান বমের কথা বলা হয়, তিনি রুমা উপজেলার এডেন পাড়ার অধিবাসী। নাথান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের স্নাতক। রুমার এডেন পাড়ায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও) নামের একটি বেসরকারি সংগঠনেরও প্রতিষ্ঠাতা তিনি।
তবে তিনি এখন কোথায় আছেন, সেটা জানা যায়নি। এডেন পাড়ার বাসিন্দা নাথান বমের এক প্রতিবেশী জানান, নাথানকে বহুদিন ধরে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।
চিকেনস নেকে ইজরায়েলি অ্যারোস্ট্যাট রাডার
কৌশলগত ‘চিকেনস নেক’ অর্থাৎ ‘শিলিগুড়ি করিডোর’-এর আকাশসীমায় বাংলাদেশের ওপর নজরদারি করছে ‘ইজরায়েলি অ্যারোস্ট্যাট রাডার’। দুর্গম পাহাড় ঘেরা এলাকায় সাধারণ রাডার ভালোভাবে নজরদারি চালাতে পারে না। সেখানে ইজরায়েলের আধুনিক অ্যারোস্ট্যাট রাডার আকাশের অনেক উঁচুতে বেলুনে ভেসে পাহাড়ের বাধা এড়িয়ে এখানকার গতিবিধির উপরে নজর রাখছে।
এটি খুবই কম উঁচু দিয়ে ধেয়ে আসা ক্রুজ মিসাইল, স্টিলথ ড্রোন অথবা যুদ্ধবিমান অনেক দূরে থেকে নিখুঁতভাবে নজরে রাখতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ-এর তৈরি ৩-ডি রাডারটি প্রায় ৫০০ কিলোমিটার আকাশসীমায় নজরদারি চালাতে সক্ষম।
ইতিমধ্যে ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে যে নতুন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে সেখানে নতুন ডিজাইনের বেড়ায় ঢেকেছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা। আধুনিক বেড়ার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শক্তিশালী নজরদারি ক্যামেরা এবং উন্নত এরিয়া ডমিনেশন ব্যবস্থা। সীমান্তের পাতা পড়লেও এখন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) নজরে আসবে।
সেই সঙ্গে ভারত মোতায়েন করেছে এস-৪০০ ডিফেন্স সিস্টেম। রাশিয়া থেকে কেনা সারফেস টু এয়ার মিসাইলও প্রস্তুত রাখা হয়েছে সীমান্ত এলাকায়। এছাড়াও ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত ‘চিকেনস নেক’ রক্ষায় বাংলাদেশ সীমান্তের পাশে আসামের ধুবড়ি সংলগ্ন বামুনি, বিহারের কিশনগঞ্জ এবং উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় ভারত তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে। এসব ঘাঁটি থেকেও বাংলাদেশের সীমান্তে নজরদারি করছে ইসরায়েল।
২০১১ সালে প্রথমবার খবরের শিরোনামে আসেন কুখ্যাত সিআইএ এজেন্ট ভ্যানডাইক। সেই সময় লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। বিদ্রোহীদের হয়ে লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিলেন এই মার্কিন ভাড়াটে যোদ্ধা। তবে নিজেকে তথ্যচিত্র নির্মাতা, কখনও আবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং যুদ্ধ প্রতিবেদক হিসাবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন ভ্যানডাইক।
এক পর্যায়ে ত্রিপোলির সরকারি বাহিনীর হাতে গ্রেফতারও হন তিনি। ২০১১ সালের ২৪ অগস্ট অন্য বন্দিরা তার সেলের তালা ভেঙে ফেললে তিনিও কারাগার থেকে পালিয়ে যান।
মুক্তি পাওয়ার পর ভ্যানডাইক ‘সন্স অফ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ বা ‘সোলি’ নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয় বিদ্রোহীদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়াই এই সংস্থার প্রধান কাজ। এই কুখ্যাত এজেন্ট তার দলবল নিয়ে এখন গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করছে ভারত-বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে।
রুশ গোয়েন্দাদের দাবি, সিরিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত ছিলেন ভ্যানডাইক। তার গতিবিধির উপর দীর্ঘ দিন ধরেই নজর রাখছিল মস্কো। মোসাদের হয়ে কাজ করা মার্কিন ভাড়াটে যোদ্ধার পা ভারতে পড়তেই নয়াদিল্লিকে সতর্ক করে ক্রেমলিন। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। তাকে অনুসরণ করে কলকাতা বিমানবন্দরে আটক করা হয়।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ইসরায়েলের অপতৎপরতার কারণ:
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরাম ও মণিপুর থেকে ইসরায়েল সরকার বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার সদস্যকে তাদের দেশে নেওয়ার আনার সিদ্ধান্ত নেয়।
এটি তাদের হারিয়ে যাওয়া একটি গোত্র হিসেবে মনে করা হয়। এ কারণে তাদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের জন্য গোপনে বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকার কিছু অংশ এবং ভারতের দুই রাজ্যে কিছু অংশ ও মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশের সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে ইহুদিদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের জন্য গোপন মিশন চালাচ্ছে ইসরায়েল।
শাভেই ইসরায়েল নামে একটি সংস্থা এই ইসরায়েলি গোত্রের লোকজনকে ইসরায়েলে নেওয়ার এই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করছে। সংস্থাটি জানায়, ১৯৯০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার বনেই মেনাশে ইসরায়েলে এসেছেন। এখনো এ গোত্রের প্রায় আরও ৭ হাজার মানুষ ভারতে রয়ে গেছেন।
ইসরায়েলের সরকার পুরো সম্প্রদায়কে অভিবাসনের সুযোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্যে তারা বছরে ১,২০০ জনকে ইসরায়েল নিয়ে যাবে।
এ বছর এপ্রিলে বনেই মেনাশে গোত্রের ২৫০ জনকে ভারতের পাহাড়ি দুই রাজ্য থেকে ইসরায়েল নিয়ে যাওয়া হয়।
২০৩০ সালের মধ্যে বাকি ৬ হাজার সদস্যকে ইসরাইলে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন উইংস অব ডন’। ২০২৬ সালজুড়ে ১,২০০ জনকে ইসরায়েলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নতুন আসা সদস্যদের প্রথমে নাজারেথ সংলগ্ন উত্তরের শহর নফ হাগালিলের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে। সেখানে আগে থেকেই বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের অনেকে বসবাস করছেন।

পাঠকের মতামত