প্রকাশিত: ০৬/১১/২০১৬ ৭:০৬ এএম

cmpচট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমশিনার ইকবাল বাহার বলেন, কেউ চাইলে ফোনে পুলিশকে তথ্য দিতে পারেন। নগর পুলিশের ফেসবুক পেজের মাধ্যমেও অপরাধের তথ্য দেওয়া যেতে পারে। তথ্য দেওয়ার জন্য রাত একটা, দুইটা ও তিনটা পর্যন্ত ফোন করতে পারেন। আমি বিরক্ত হবো না। তিনি বলেন,৭০ লাখ মানুষের এই চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশের সংখ্যা মাত্র ৬ হাজার ৭০০ জন। সে হিসেবে ১ হাজার ৫০ জন মানুষের বিপরীতে একজন পুলিশ। অথচ ৩৮ বছর আগে যখন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের জন্ম হয়েছিল তখন ৩ হাজার জনবল নিয়ে ১০ লাখ মানুষের নিরাপত্তা দিয়েছিল পুলিশ। অর্থাৎ ৩৩০ জন মানুষের বিপরীতে একজন পুলিশ ছিল। সেজন্য আমরা কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম শুরু করেছি। এটার সুফল জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক, এবং ইভটিজিং এর বিরুদ্ধে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। গতকাল সকালে পাঁচলাইশ ৩নং ওয়ার্ডে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। উক্ত সমাবেশে আলহাজ্ব কপিল উদ্দিন খাঁনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইস্ট ডেলটা ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য সেকান্দর খান, উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল ওয়ারিশ, বায়েজিদ থানা ইনচার্জ মো. মহসিন, কাজী মোত্তাকিন ইবনে মিনান, হাজী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, হাজী মো. ইউনুস, পাঁচলাইল ৩নং ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী, অধ্যাপক সিরাজুল আলম, শাহ আলম, আলহাজ্ব আব্দুল নবী লেদু।

মো. কপিল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন এস.এম. আবুল কাশেম, এ.কে.এম শহীদুল আলম, মহিলা ফোরামের রাসেদা নুর, মিনু আক্তার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. ইসমাইল, আব্দুল কাদের সর্দার, শাহ এরফান, আব্বাস উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, আবু তাহের, মাওলানা মোহাম্মদ ইয়াছিন, আব্দুল করিম খোকন, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. ইব্রাহিম, আব্দুল শুক্কুর, সেলিম হোসেন চৌধুরী, মো. নুরুল আবছার, মো. আনোয়ার, মো. ইলিয়াছ, সোলায়মান খাঁন নয়ন, নুরুল আলম, মো. এনামুল হক প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

পাঠকের মতামত

বান্দরবানে কেএনএফের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, নিহত ৩

বান্দরবানের রুমা উপজেলার রনিন পাড়ার কাছে ডেবাছড়া এলাকায় কেএনএফের একটি আস্তানায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর ...