মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা বাজারে গর্ভবতী ও অসুস্থ গাভীর মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত শনিবার ডুলাহাজারা বাজারের মহাসড়কের পুর্ব পার্শ্বের শাহালম সওদাগরের মাংসের দোকানে ঘটে এ ঘটনা।
ঘটনাসুত্রে জানাযায় কিছুদিন ধরে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড উত্তর পাড়া গ্রামের নগরবাসীর পুত্র স্বপন দে এর একটি গাভী দুরারূগে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় বিশ্বস্থ সুত্রে গাভীটি পাঁচ মাসের গর্ভবতী বলেও জানা গেছে।
গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসা করতে ডুলাহাজারা বাজারের অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসক ডাঃ আলী হোসেনকে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তার পশুটির অবস্থা দেখে চিকিৎসার আওতার বাইরে এবং যেকোন সময় পশুটি মারা যেতে পারে মর্মে চিকিৎসা না করে ফিরে আসেন। পরদিন শুক্রবার মুমূর্ষু গাভীটি স্বল্প দামে ডুলাহাজারা বাজারের শাহালম সওদাগরের মাংসের দোকানে কিনে নেয়। উল্লেখ্য পশুটি অসুস্থের কথা প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন বিক্রেতা স্বপন দে। জানতে চাওয়া হলে পশু চিকিৎক ডাঃ আলী হোসেন বলেন ‘গাভীটির চিকিৎসা করতে আমাকে ডাকা হয়েছিল কিন্তু পশুটি আশঙ্কা জনক দেখে চিকিৎসা না করে আমি ফিরে আসি এবং গাভীটি গর্ভবতী বলেও আমার মনে হয়েছে।’ বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্ঠা চালান মাংস ব্যবসায়ীরা। এব্যপারে শাহালম সওদাগরের মাংসের দোকানে স্বত্বাধিকারী মোঃ শাহালম বলেন ‘আমরা কম দামে অসুস্থ গাভীটি কিনছিলাম ঠিকই কিন্তু মানুষের অভিযোগ পেয়ে ডুলাহাজারা বাজারে ওই গাভীর মাংস বিক্রি করিনি। চকরিয়া পৌর এলাকার চিরিঙ্গার কাষাইকে তা বিক্রি করে দিই।’ ইতিপূর্বে গোপন সুত্রে খবর পেয়ে ঈদগাঁও বাজারে মৃত পশু জবেহ কালে এক মাংস ব্যবসীকে আটক করেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। এভাবে বাজারের মাংস বিক্রাতাদের টপ সিক্রেট অবৈধ কর্মকান্ডে অসহায় সাধারণ ক্রেতারা। না জানার স্বত্বে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত কিনে খাচ্ছে আক্রান্ত, অর্ধমৃত ও মৃত পশু-পাখির মাংস। বাজারের অসাধু ব্যবসায়ীর প্রাদুর্ভাবে বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এসব আক্রান্ত ও মৃত পশু-পাখি বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সহ অসাধু ব্যবসায়ীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে প্রশাসনিক কঠোর শাস্তির দাবী জানান সচেতন মহল।
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন করতে যাচ্ছে সরকার। আজ মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ...
Single Page Footer

পাঠকের মতামত