প্রকাশিত: ২৫/০২/২০১৭ ৯:৫৮ পিএম

কুয়ালালামপুর: উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎ ভাই কিম জং-নামের হত্যাকারী সন্দেহে এক ইন্দোনেশীয় নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এজন্য তাকে ৯০ ডলার দেয়া হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীর নাম সিতি আইসা (২৫)।

সিতি আইসা জানিয়েছেন, ধোকাবাজির একটি অনুষ্ঠানে (প্রাঙ্ক) অংশ নেবার কথা বলে তাকে দিয়ে কাজটি করানো হয়। আর এজন্য তাকে ৯০ ডলারের সমপরিমাণ ৪০০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত দেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, তাকে বলা হয়েছিল- ধোকাবাজি হিসেবে এক যাত্রীর মুখে ‘বেবি অয়েল’ মেখে দিতে হবে। কথা মতোই তিনি কাজটি করেছেন।

সিতি আইসা জানান, তিনি কিম জং-নামকে চিনতেন না এবং বেবি অয়েলের পরিবর্তে তার হাতে যে বিষ দেয়া হয়েছিল সেটিও জানতেন না।

শনিবার দুপুরে কুয়ালালামপুরে ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস কর্মকর্তাদের এসব কথা বলেন তিনি।

সিতি আরো জানান, একটি টেলিভিশন রিয়েলিটি শোয়ের অংশ হিসেবে কিম জং-নামের মুখে বেবি অয়েল ছুঁড়ে মারার জন্য অগ্রিম ওই অর্থ দেয়া হয়েছিল।

মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিম জং-নামের মুখে ছোঁড়া হয়েছে ‘ভিএক্স’ নামে এক ধরনের শক্তিশালী রাসায়নিক; যা মানুষের শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে মুহূর্তে অকার্যকর করে দেয়। জাতিসংঘ এটিকে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চেকিং কক্ষে দুজন মহিলা কিম জং-নামের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপ হয়। এর কিছু পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান ৪৫ বছর বয়সী কিম জং-নাম।

ব্যাপকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, এই আক্রমণের পিছনে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। যদিও দেশটি দৃঢ়ভাবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্র: বিবিসি

পাঠকের মতামত